ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বাবার কবর জিয়ারতে মাধবপুরের গ্রামের বাড়িতে Logo মাধবপুর কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ধীরেন্দ্র পাল, সেক্রেটারি তপন দেবনাথ Logo মাধবপুরে ট্রাকভর্তি বালুর নিচে মিলল ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা: বিজিবির অভিযান Logo কুবির অর্থনীতি ক্লাবের নেতৃত্বে আসাদ-মাহফুজুল, নতুন কমিটি ঘোষণা Logo বাহুবলে ক্লিন ইমেজের প্রশাসক চান এলাকাবাসী: আলোচনায় আলমগীর খাঁন রানা Logo হত্যাসহ ৫ মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক মেয়র আইভী Logo অন্যায়কারী আমাদের সহানুভূতি পাবে না: মাধবপুরে এমপি সৈয়দ ফয়সল Logo মাধবপুরে টোল আদায়ের নামে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি: উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষার অভিযোগ Logo লাখাইয়ের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের ডাক দিলেন সংসদ সদস্য জি কে গউছ Logo বাহুবলে আধুনিক উপজেলা গড়ার প্রতিশ্রুতি: ডক্টর রেজা কিবরিয়া

ভারতে ‘জঙ্গি হামলার পরিকল্পনার’ অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

ভারতে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। ভারতীয় তদন্তকারীদের বরাতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারদের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগসাজশ রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে ছয়জনকে তামিল নাড়ুর ত্রিপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে আটক করা হয়। তারা হলেন— মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ ও মোহাম্মদ উজ্জ্বল। এছাড়া আরও দুজনকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তার সন্দেহভাজনদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। তারা ভুয়া আধার কার্ড ব্যবহার করে ভারতে অবস্থান করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

তামিল নাড়ু পুলিশ গ্রেপ্তার সন্দেহভাজনদের দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় বর্তমানে অধিকতর তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনায় বোমা হামলার পরিকল্পনার তথ্য সামনে আসার একদিন পরই এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। ওই তথ্যে বলা হয়, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা দিল্লির লাল কেল্লার আশপাশে এবং চাঁদনী চকের একটি মন্দিরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার ছক কষছিল।

এদিকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি মসজিদে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। ওই হামলায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং এর দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট।

এর আগে দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনায়ও তদন্ত চলছিল। ওই ঘটনায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। তদন্তকারীরা জানান, চক্রের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পরই সন্দেহভাজনরা আতঙ্কিত হয়ে বিস্ফোরণের পথ বেছে নেয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বাবার কবর জিয়ারতে মাধবপুরের গ্রামের বাড়িতে

error:

ভারতে ‘জঙ্গি হামলার পরিকল্পনার’ অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৪:৩২:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে পুলিশ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। ভারতীয় তদন্তকারীদের বরাতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তারদের সঙ্গে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং বাংলাদেশের একটি জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগসাজশ রয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, গ্রেপ্তারদের মধ্যে ছয়জনকে তামিল নাড়ুর ত্রিপুর জেলার একটি পোশাক কারখানা থেকে আটক করা হয়। তারা হলেন— মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ শাবাত, উমর, মোহাম্মদ লিটন, মোহাম্মদ শহীদ ও মোহাম্মদ উজ্জ্বল। এছাড়া আরও দুজনকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, গ্রেপ্তার সন্দেহভাজনদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। তারা ভুয়া আধার কার্ড ব্যবহার করে ভারতে অবস্থান করছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে আটটি মোবাইল ফোন এবং ১৬টি সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়েছে।

তামিল নাড়ু পুলিশ গ্রেপ্তার সন্দেহভাজনদের দিল্লি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে। এ ঘটনায় বর্তমানে অধিকতর তদন্ত চলছে বলে জানানো হয়েছে।

সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দিল্লিসহ ভারতের বিভিন্ন ধর্মীয় স্থাপনায় বোমা হামলার পরিকল্পনার তথ্য সামনে আসার একদিন পরই এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটে। ওই তথ্যে বলা হয়, পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা দিল্লির লাল কেল্লার আশপাশে এবং চাঁদনী চকের একটি মন্দিরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনায় হামলার ছক কষছিল।

এদিকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের একটি মসজিদে সাম্প্রতিক আত্মঘাতী হামলার প্রতিশোধ নিতেই এই হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। ওই হামলায় বহু হতাহতের ঘটনা ঘটে এবং এর দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট।

এর আগে দিল্লির লাল কেল্লার কাছে একটি ভয়াবহ গাড়ি বিস্ফোরণের ঘটনায়ও তদন্ত চলছিল। ওই ঘটনায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। তদন্তকারীরা জানান, চক্রের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পরই সন্দেহভাজনরা আতঙ্কিত হয়ে বিস্ফোরণের পথ বেছে নেয়।