ঢাকা ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বাবার কবর জিয়ারতে মাধবপুরের গ্রামের বাড়িতে Logo মাধবপুর কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ধীরেন্দ্র পাল, সেক্রেটারি তপন দেবনাথ Logo মাধবপুরে ট্রাকভর্তি বালুর নিচে মিলল ৪০ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা: বিজিবির অভিযান Logo কুবির অর্থনীতি ক্লাবের নেতৃত্বে আসাদ-মাহফুজুল, নতুন কমিটি ঘোষণা Logo বাহুবলে ক্লিন ইমেজের প্রশাসক চান এলাকাবাসী: আলোচনায় আলমগীর খাঁন রানা Logo হত্যাসহ ৫ মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন সাবেক মেয়র আইভী Logo অন্যায়কারী আমাদের সহানুভূতি পাবে না: মাধবপুরে এমপি সৈয়দ ফয়সল Logo মাধবপুরে টোল আদায়ের নামে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি: উচ্চ আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষার অভিযোগ Logo লাখাইয়ের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের ডাক দিলেন সংসদ সদস্য জি কে গউছ Logo বাহুবলে আধুনিক উপজেলা গড়ার প্রতিশ্রুতি: ডক্টর রেজা কিবরিয়া

হবিগঞ্জ-৪ আসনে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাতজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমাকৃত ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন— আহমদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস, জামায়াত সমর্থিত) দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩০ ভোট। মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ) মই প্রতীকে পেয়েছেন ৩২৪ ভোট। রেজাউল কাওসার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮১ ভোট। মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট। সালেহ আহমদ সাজন, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১২ ভোট। শাহ আল আমিন (মুসলিম লীগ) হারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩১ ভোট এবং রাশেদুল ইসলাম খোকন (মুক্তিজোট) ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭৯ ভোট।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েকজন শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান এবং বড় দলগুলোর শক্ত সাংগঠনিক অবস্থানের কারণে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বাবার কবর জিয়ারতে মাধবপুরের গ্রামের বাড়িতে

error:

হবিগঞ্জ-৪ আসনে সাত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

আপডেট সময় ০২:২৪:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর–চুনারুঘাট) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাতজন প্রার্থী তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশের কম ভোট পেলে প্রার্থীর জমাকৃত ৫০ হাজার টাকা জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।

চূড়ান্ত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রয়োজনীয় ভোটের হার অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন— আহমদ আবদুল কাদের (খেলাফত মজলিস, জামায়াত সমর্থিত) দেওয়াল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ২৫ হাজার ৪৩০ ভোট। মো. মুজিবুর রহমান (বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ) মই প্রতীকে পেয়েছেন ৩২৪ ভোট। রেজাউল কাওসার (ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ) আপেল প্রতীকে পেয়েছেন ৪৮১ ভোট। মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ঘোড়া প্রতীকে পেয়েছেন ৬৪৬ ভোট। সালেহ আহমদ সাজন, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ৬১২ ভোট। শাহ আল আমিন (মুসলিম লীগ) হারিকেন প্রতীকে পেয়েছেন ৫৩১ ভোট এবং রাশেদুল ইসলাম খোকন (মুক্তিজোট) ছড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ৪৭৯ ভোট।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা কয়েকজন শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। ছোট দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা প্রত্যাশিত সাড়া না পাওয়ায় উল্লেখযোগ্য ভোট সংগ্রহ করতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত ভোটের সীমা অতিক্রম করতে ব্যর্থ হয়ে তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ভোটারদের কৌশলগত ভোট প্রদান এবং বড় দলগুলোর শক্ত সাংগঠনিক অবস্থানের কারণে ছোট দলগুলোর প্রার্থীরা পিছিয়ে পড়েছেন।