
চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
চুনারুঘাট উপজেলার চন্ডী মাজার সংলগ্ন এলাকার চা বিক্রেতা ও আওয়ামী লীগের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে পরিচিত দীপক দাস ওরফে ভৈরব এখন কয়েক কোটি টাকার মালিক বলে স্থানীয়ভাবে আলোচিত। তিনি সাবেক প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীর একান্ত লোক হিসেবে পরিচিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় রাজনৈতিক প্রভাব কাজে লাগিয়ে চা বিক্রির আড়ালে বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন দীপক দাস ওরফে ভৈরব। অভিযোগ রয়েছে, তিনি বালু ব্যবসা, মাদক ব্যবসাসহ নানা ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন।
চুনারুঘাটে অনেক সাধারণ আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার হলেও দীপক দাস ওরফে ভৈরব এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি প্রকাশ্যে বলেন পুলিশ তার দোকানে এসে চা পান করে এবং পুলিশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, ফলে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব নয়।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে তিনি চুনারুঘাট পৌর শহরে জমি ক্রয় করেছেন এবং মাধবপুরে কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। এছাড়া চন্ডী চা বাগানের স্থায়ী বাসিন্দা না হয়েও ওই এলাকায় তার ব্যাপক প্রভাব রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, দীপক দাসের পিতা চন্ডী চা বাগানে বিবাহ সূত্রে বসবাস শুরু করেন। সেই সুবাদে সেখানে তার নানা বাড়ি থাকায় নিজ স্ত্রী의 নামে বাগানের কাজ ক্রয় করে সেখানে বসবাস শুরু করে তার পরিবার। স্থানীয় শ্রমিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, তার প্রভাবের কারণে চন্ডী ভোট কেন্দ্রটি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
চা বাগানের সাধারণ শ্রমিকদের দাবি, আওয়ামী লীগের অনেক সাধারণ নেতা গ্রেপ্তার হলেও দীপক দাস ওরফে ভৈরবের মতো প্রভাবশালী নেতাকে গ্রেপ্তার না করায় আসন্ন নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তারা দ্রুত তাকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী দীপক দাস ওরফে ভৈরব বারবার রাজনৈতিক অবস্থান পরিবর্তন করে নিজের স্বার্থ রক্ষা করে থাকেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























