
ফজরের নামাজে যদি মসজিদে ঢোকার সময়ই **ইকামত** হয়ে যায় এবং ইমাম নামাজ শুরু করে দেন, তাহলে সরাসরি **জামাতে ফরজ নামাজে যোগ দিতে হবে** — এ অবস্থায় আলোকচিত প্রশ্ন উঠেছে ফজরের সুন্নাত সম্পর্কে।
শরিয়তের নির্দেশ অনুযায়ী, ইকামত শুরু হয়ে গেলে **ফরজ নামাজের পূর্ণ আয়োজনই অগ্রাধিকার পায়** এবং তখন **সুন্নাত নামাজ শুরু করা যায় না**।
হাদীসে এসেছে—
> “যখন সালাত শুরু হয়ে যায়, তখন ফরজ নামাজ ছাড়া আর কোনো নামাজ নেই।”
— *সহিহ মুসলিম (হাদীস ৭১০)*
এ অবস্থায় অনেকেই প্রশ্ন করেন—**ফজরের ২ রাকাত সুন্নাতের কী হবে?**
এ সম্পর্কে কায়েস ইবনে ‘আমর (রাঃ) বলেন—
তিনি ফজরের ফরজের পর ২ রাকাত নামাজ পড়তেন। নবী ﷺ তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন:
> “আমি ফরজের আগে সুন্নাত পড়তে পারিনি, তাই এখন পড়লাম।”
এই হাদীসটি *আবু দাউদ (হাদীস ১২৬৭)* ও *তিরমিজি (হাদীস ৪২৩)* থেকে বর্ণিত হয়েছে, এবং ইহা **হাদীস হাসান** হিসেবে গ্রহণযোগ্য।
শুধু তাই নয়, ইসলামী ঔলামা বলেন—
যদি জামাতে অংশ নেওয়ার সময় ফজরের সুন্নাত মিস হয়ে যায়, তাহলে **ফরজের পর ২ রাকাত সুন্নাত আদায় করা যায়**। এর ফলে নামাজের কাযেদসীমা ঠিক রেখে শরিয়তের নীতির আলোয় ইবাদত সম্পন্ন হয়।
এ বিষয়ে ধর্মীয় বিশ্লেষণে জানা গেছে, ইসলামে **জামাতের গুরুত্ব অনেক বেশি**, এবং কেয়ামত পর্যন্ত নামাজই মুসলমানের মূল স্তম্ভদের অন্যতম অন্যতম ভিত্তি। তাই ইকামতের সময় ফরজে যোগ দেয়া — তা ইসলামিক শরিয়তের নির্দেশনাই।
বাংলার খবর ডেস্ক : 


























