ঢাকা ০৬:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দৈনিক ভোরের ডাকের সংবাদের প্রতিবাদ, প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান চেয়ারম্যান নোমান মিয়ার Logo মাধবপুরে ৫৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo মাধবপুরে নিখোঁজ মাদক ব্যবসায়ীকে উদ্ধারের দাবিতে মানববন্ধন, কালনী ট্রেন অবরোধ Logo নিজ অর্থায়নে উন্নয়ন কাজে প্রশংসিত মীর ইব্রাহিম মিয়া Logo শিগগির খুলছে না মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার Logo চুনারুঘাটের শালটিলা বন বিটে ২৫ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ Logo চুনারুঘাটে অভিযানে গ্রেপ্তার মাদক মামলার আসামি ফিরোজ মিয়া Logo সংসদে মাধবপুর-চুনারুঘাটের উন্নয়ন দাবিতে সোচ্চার এমপি ফয়সল, চৌমুহনী রাবার ড্যাম পুনরায় চালুর আহ্বান Logo মাধবপুরে জুলাই শহীদ শামীম মিয়ার নামে সড়ক নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি Logo হরিশ্যামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদ ধসের ঘটনায় আদালতের নির্দেশ

অস্থির নেপালের হাল ধরলেন সুশীলা কার্কি: বিচারপতি থেকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী

বাংলার খবর ডেস্ক:
বিক্ষোভ-সংঘর্ষে উত্তাল নেপালে সরকারের পতনের পর দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। এর মধ্য দিয়ে নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌডেলের উপস্থিতিতে শপথ নেন কার্কি। অনুষ্ঠানে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানও উপস্থিত ছিলেন।

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে টানা আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে কেপি শর্মা ওলি সরকারের। বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে কার্কিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে আন্দোলনের একাংশ তার বয়স (৭৩ বছর) ও সাবেক বিচারপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। এমনকি কাঠমান্ডুর জনপ্রিয় মেয়র বালেন শাহ ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় খ্যাত প্রকৌশলী কুল মান ঘিসিংয়ের নামও আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত সব বিতর্ক ছাপিয়ে সুশীলা কার্কিই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব পান।

বিচারপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী

২০১৬ সালে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি আলোচনায় আসেন। জেপি গুপ্ত দুর্নীতি মামলার রায় দিয়ে তিনি জনসমর্থন পান। যদিও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে তাকে অভিশংসন প্রস্তাবের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা পরে আদালত স্থগিত করে।

ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় ও নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা কার্কি দীর্ঘদিন আইনজীবী হিসেবে কাজ করার পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। বর্তমানে দুর্নীতি দমন, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং তরুণ প্রজন্মের আস্থা ধরে রাখা তার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

দৈনিক ভোরের ডাকের সংবাদের প্রতিবাদ, প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান চেয়ারম্যান নোমান মিয়ার

অস্থির নেপালের হাল ধরলেন সুশীলা কার্কি: বিচারপতি থেকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:
বিক্ষোভ-সংঘর্ষে উত্তাল নেপালে সরকারের পতনের পর দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। এর মধ্য দিয়ে নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌডেলের উপস্থিতিতে শপথ নেন কার্কি। অনুষ্ঠানে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানও উপস্থিত ছিলেন।

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে টানা আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে কেপি শর্মা ওলি সরকারের। বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে কার্কিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে আন্দোলনের একাংশ তার বয়স (৭৩ বছর) ও সাবেক বিচারপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। এমনকি কাঠমান্ডুর জনপ্রিয় মেয়র বালেন শাহ ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় খ্যাত প্রকৌশলী কুল মান ঘিসিংয়ের নামও আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত সব বিতর্ক ছাপিয়ে সুশীলা কার্কিই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব পান।

বিচারপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী

২০১৬ সালে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি আলোচনায় আসেন। জেপি গুপ্ত দুর্নীতি মামলার রায় দিয়ে তিনি জনসমর্থন পান। যদিও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে তাকে অভিশংসন প্রস্তাবের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা পরে আদালত স্থগিত করে।

ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় ও নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা কার্কি দীর্ঘদিন আইনজীবী হিসেবে কাজ করার পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। বর্তমানে দুর্নীতি দমন, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং তরুণ প্রজন্মের আস্থা ধরে রাখা তার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।