ঢাকা ০৬:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৩ ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ২ আহত ২৫; ঝুঁকিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক Logo মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, ড্রেজার ও পাইপলাইন বিনষ্ট Logo মাধবপুরে যাত্রীবাহী বাস খাদে, আহত ২০ Logo সালমান শাহ হত্যা মামলায় অভিনেতা ডন হক গ্রেফতার Logo সিলেটের জৈন্তাপুরে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৮ Logo মাধবপুরে ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ২, আড়াই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ Logo বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা কি ফিরছে ম্যানেজিং কমিটির হাতে? Logo আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস: গুরুত্ব পাচ্ছে অধিকার ও স্বাস্থ্যসেবা লাইফস্টাইল ডেস্ক, Logo ব্রাহ্মণবাড়িয়া-কুমিল্লা মহাসড়কের চার লেনের কাজ দ্রুত শেষ করার দাবি তাহেরীর Logo লাখাইয়ে জনবান্ধব পুলিশিংয়ে প্রশংসিত ওসি শরীফ আহমেদ: মারামারি-দাঙ্গা কমেছে ৮০%

অস্থির নেপালের হাল ধরলেন সুশীলা কার্কি: বিচারপতি থেকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী

বাংলার খবর ডেস্ক:
বিক্ষোভ-সংঘর্ষে উত্তাল নেপালে সরকারের পতনের পর দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। এর মধ্য দিয়ে নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌডেলের উপস্থিতিতে শপথ নেন কার্কি। অনুষ্ঠানে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানও উপস্থিত ছিলেন।

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে টানা আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে কেপি শর্মা ওলি সরকারের। বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে কার্কিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে আন্দোলনের একাংশ তার বয়স (৭৩ বছর) ও সাবেক বিচারপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। এমনকি কাঠমান্ডুর জনপ্রিয় মেয়র বালেন শাহ ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় খ্যাত প্রকৌশলী কুল মান ঘিসিংয়ের নামও আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত সব বিতর্ক ছাপিয়ে সুশীলা কার্কিই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব পান।

বিচারপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী

২০১৬ সালে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি আলোচনায় আসেন। জেপি গুপ্ত দুর্নীতি মামলার রায় দিয়ে তিনি জনসমর্থন পান। যদিও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে তাকে অভিশংসন প্রস্তাবের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা পরে আদালত স্থগিত করে।

ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় ও নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা কার্কি দীর্ঘদিন আইনজীবী হিসেবে কাজ করার পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। বর্তমানে দুর্নীতি দমন, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং তরুণ প্রজন্মের আস্থা ধরে রাখা তার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ২৪ ঘণ্টায় ৩ ভয়াবহ দুর্ঘটনা, নিহত ২ আহত ২৫; ঝুঁকিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক

error:

অস্থির নেপালের হাল ধরলেন সুশীলা কার্কি: বিচারপতি থেকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:
বিক্ষোভ-সংঘর্ষে উত্তাল নেপালে সরকারের পতনের পর দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। এর মধ্য দিয়ে নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌডেলের উপস্থিতিতে শপথ নেন কার্কি। অনুষ্ঠানে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানও উপস্থিত ছিলেন।

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে টানা আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে কেপি শর্মা ওলি সরকারের। বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে কার্কিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে আন্দোলনের একাংশ তার বয়স (৭৩ বছর) ও সাবেক বিচারপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। এমনকি কাঠমান্ডুর জনপ্রিয় মেয়র বালেন শাহ ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় খ্যাত প্রকৌশলী কুল মান ঘিসিংয়ের নামও আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত সব বিতর্ক ছাপিয়ে সুশীলা কার্কিই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব পান।

বিচারপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী

২০১৬ সালে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি আলোচনায় আসেন। জেপি গুপ্ত দুর্নীতি মামলার রায় দিয়ে তিনি জনসমর্থন পান। যদিও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে তাকে অভিশংসন প্রস্তাবের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা পরে আদালত স্থগিত করে।

ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় ও নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা কার্কি দীর্ঘদিন আইনজীবী হিসেবে কাজ করার পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। বর্তমানে দুর্নীতি দমন, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং তরুণ প্রজন্মের আস্থা ধরে রাখা তার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।