ঢাকা ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর-চুনারুঘাটের সমস্যার চিত্র তুলে ধরে এমপিকে খোলা চিঠি Logo বিজিবির চক্ষু শিবিরে ২০০ জনকে চিকিৎসা সেবা Logo হবিগঞ্জে বিজিবির ফ্রি চক্ষু শিবির, চিকিৎসা ও ওষুধ বিতরণ Logo ছোট ছোট বালক-বালিকারা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ: এমপি ফয়সল Logo অশুভ ‘ভিউ ব্যবসায়ীদের’ বিষাক্ত ছোবল থামাতে হবে Logo হবিগঞ্জে বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি চক্রের ৬ সদস্য গ্রেপ্তার Logo মাধবপুরে মন্দিরে অগ্নিসংযোগ: পুলিশের তৎপরতায় মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার, স্বীকারোক্তি Logo মাধবপুরে বেলগড় ৩৩ কেভি সুইচিং স্টেশনে ত্রুটি, বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন Logo মাধবপুরে এসএসসি পরীক্ষার মধ্যে উচ্চস্বরে গান ও অসামাজিক কার্যকলাপে ক্ষুব্ধ অভিভাবক-শিক্ষার্থী Logo ১৬ বছর পর আবারও সম্প্রচারে ফিরছে চ্যানেল ওয়ান

অস্থির নেপালের হাল ধরলেন সুশীলা কার্কি: বিচারপতি থেকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী

বাংলার খবর ডেস্ক:
বিক্ষোভ-সংঘর্ষে উত্তাল নেপালে সরকারের পতনের পর দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। এর মধ্য দিয়ে নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌডেলের উপস্থিতিতে শপথ নেন কার্কি। অনুষ্ঠানে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানও উপস্থিত ছিলেন।

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে টানা আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে কেপি শর্মা ওলি সরকারের। বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে কার্কিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে আন্দোলনের একাংশ তার বয়স (৭৩ বছর) ও সাবেক বিচারপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। এমনকি কাঠমান্ডুর জনপ্রিয় মেয়র বালেন শাহ ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় খ্যাত প্রকৌশলী কুল মান ঘিসিংয়ের নামও আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত সব বিতর্ক ছাপিয়ে সুশীলা কার্কিই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব পান।

বিচারপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী

২০১৬ সালে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি আলোচনায় আসেন। জেপি গুপ্ত দুর্নীতি মামলার রায় দিয়ে তিনি জনসমর্থন পান। যদিও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে তাকে অভিশংসন প্রস্তাবের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা পরে আদালত স্থগিত করে।

ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় ও নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা কার্কি দীর্ঘদিন আইনজীবী হিসেবে কাজ করার পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। বর্তমানে দুর্নীতি দমন, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং তরুণ প্রজন্মের আস্থা ধরে রাখা তার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর-চুনারুঘাটের সমস্যার চিত্র তুলে ধরে এমপিকে খোলা চিঠি

error:

অস্থির নেপালের হাল ধরলেন সুশীলা কার্কি: বিচারপতি থেকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৫৯:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:
বিক্ষোভ-সংঘর্ষে উত্তাল নেপালে সরকারের পতনের পর দেশটির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। এর মধ্য দিয়ে নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার রেকর্ড গড়লেন তিনি।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রেসিডেন্ট ভবনে প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পৌডেলের উপস্থিতিতে শপথ নেন কার্কি। অনুষ্ঠানে দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট, প্রধান বিচারপতি ও সেনাপ্রধানও উপস্থিত ছিলেন।

নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ ও দুর্নীতির অভিযোগে টানা আন্দোলনের মুখে পতন ঘটে কেপি শর্মা ওলি সরকারের। বিক্ষোভকারীদের দাবির প্রেক্ষিতে কার্কিকে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

তবে আন্দোলনের একাংশ তার বয়স (৭৩ বছর) ও সাবেক বিচারপতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রিত্ব গ্রহণ নিয়ে আপত্তি তুলেছিল। এমনকি কাঠমান্ডুর জনপ্রিয় মেয়র বালেন শাহ ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় খ্যাত প্রকৌশলী কুল মান ঘিসিংয়ের নামও আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত সব বিতর্ক ছাপিয়ে সুশীলা কার্কিই অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব পান।

বিচারপতি থেকে প্রধানমন্ত্রী

২০১৬ সালে নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন সুশীলা কার্কি। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কারণে তিনি আলোচনায় আসেন। জেপি গুপ্ত দুর্নীতি মামলার রায় দিয়ে তিনি জনসমর্থন পান। যদিও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগে তাকে অভিশংসন প্রস্তাবের মুখোমুখি হতে হয়েছিল, যা পরে আদালত স্থগিত করে।

ভারতের বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় ও নেপালের ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা কার্কি দীর্ঘদিন আইনজীবী হিসেবে কাজ করার পর সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন। বর্তমানে দুর্নীতি দমন, স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং তরুণ প্রজন্মের আস্থা ধরে রাখা তার বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।