ঢাকা ০৮:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাইঞ্জাবিলের দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত শতাধিক, পুলিশ ব্যর্থ—৪ ঘণ্টা পর সেনা নামল

পারভেজ হাসান লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি লাখাইয়ের স্বজন গ্রামে ধলেশ্বরী-খাইঞ্জাবিল দখলকে কেন্দ্র করে আবারও ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিনের চলমান বিরোধ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুহিবুর, এনায়েত ও রুপন চেয়ারম্যানপক্ষের সঙ্গে হারিছ মিয়া গং-এর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হলে টানা চার ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খাইঞ্জাবিলের দখল ও মালিকানা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। আজকের সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ উভয় পক্ষের শতাধিক লোক আহত হন। গুরুতর আহতদের ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, থমকে যায় স্বজন গ্রামের স্বাভাবিক জনজীবন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীরা চেষ্টা চালালেও উত্তেজনা কমছিল না। লাখাই থানা ওসি (তদন্ত) কৃষ্ণচন্দ্র মিত্র জানান, পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও সংঘর্ষ থামাতে না পারায় কেন্দ্রীয়ভাবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সংঘর্ষে জড়িত দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও আহত হন।

এলাকাবাসী জানান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও খাইঞ্জাবিলের দখল নিয়ে বহু বছর ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—কবে এই বিলকে কেন্দ্র করে স্থায়ী সমাধান হবে? আর কতদিন নিরীহ মানুষকে এমন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের শিকার হতে হবে?

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর
জনপ্রিয় সংবাদ
error:

খাইঞ্জাবিলের দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত শতাধিক, পুলিশ ব্যর্থ—৪ ঘণ্টা পর সেনা নামল

আপডেট সময় ০৩:০০:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

পারভেজ হাসান লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি লাখাইয়ের স্বজন গ্রামে ধলেশ্বরী-খাইঞ্জাবিল দখলকে কেন্দ্র করে আবারও ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দীর্ঘদিনের চলমান বিরোধ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মুহিবুর, এনায়েত ও রুপন চেয়ারম্যানপক্ষের সঙ্গে হারিছ মিয়া গং-এর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হলে টানা চার ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ চলে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খাইঞ্জাবিলের দখল ও মালিকানা নিয়ে দুইপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল। আজকের সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ উভয় পক্ষের শতাধিক লোক আহত হন। গুরুতর আহতদের ঢাকাসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষ চলাকালে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, থমকে যায় স্বজন গ্রামের স্বাভাবিক জনজীবন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মীরা চেষ্টা চালালেও উত্তেজনা কমছিল না। লাখাই থানা ওসি (তদন্ত) কৃষ্ণচন্দ্র মিত্র জানান, পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও সংঘর্ষ থামাতে না পারায় কেন্দ্রীয়ভাবে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং সংঘর্ষে জড়িত দুই পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যও আহত হন।

এলাকাবাসী জানান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও খাইঞ্জাবিলের দখল নিয়ে বহু বছর ধরে দফায় দফায় সংঘর্ষ চলছে। সচেতন মহল প্রশ্ন তুলেছেন—কবে এই বিলকে কেন্দ্র করে স্থায়ী সমাধান হবে? আর কতদিন নিরীহ মানুষকে এমন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের শিকার হতে হবে?