ঢাকা ০৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই Logo কেউ যেন নতুনভাবে উস্কানিতে লিপ্ত না হই, শিবিরকে অনুরোধ ছাত্রদল সভাপতির Logo লাখাইয়ে বিধবার জমি দখলে বাধা, আদালতের রায় কার্যকর চেয়ে থানায় অভিযোগ Logo শাহজীবাজারে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ: হবিগঞ্জে শুক্রবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ Logo সাইফ, তামিম, সৌম্যর দ্রুত বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ Logo লাখাইয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে অচলাবস্থা, সেবা না পেয়ে দুর্ভোগে এলাকাবাসী Logo মাধবপুরে চিকিৎসক সংকটে দুই স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মিডওয়াইফ দিয়ে চলছে সেবা Logo হবিগঞ্জে ডিবির অভিযানে ১২৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার, নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo হারিয়ে যাচ্ছে দলবেঁধে ধান কাটার উৎসব Logo হবিগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২ কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় ঔষধ ও ফুচকা জব্দ

১৬ বছর পর হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলন ২০ আগস্ট

বাংলার খবর হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
দীর্ঘ ১৬ বছর পর আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলন। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ।

তিনি জানান, ১১ আগস্ট জেলা বিএনপির বিশেষ সভায় এ তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। পৌরসভা মাঠে অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং উদ্বোধন করবেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলন সফল করতে উপকমিটি ও ১৭ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

সভাপতি পদে শোনা যাচ্ছে—জি কে গউছ, শাম্মী আক্তার ও সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়ার নাম। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ইসলাম তরফদার তনু, মিজানুর রহমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এনামুল হক সেলিম, অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন সেলিম এবং গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল।

জানা গেছে, সর্বশেষ জেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ওই কাউন্সিলে সৈয়দ মো. ফয়সল সভাপতি এবং জি কে গউছ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৯ সালে আবুল হাশিমকে আহ্বায়ক করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন হয়, তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তিনি বহিষ্কৃত হন। এরপর থেকে জি কে গউছের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির কার্যক্রম চলছে।

দীর্ঘদিন পর কাউন্সিলকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও প্রচারণা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পছন্দের নেতাদের সমর্থনে নানা পোস্ট ও আন্দোলন-সংগ্রামের চিত্র শেয়ার করা হচ্ছে।

জি কে গউছ জানান, জেলা বিএনপির ১৫টি ইউনিট ও ১১টি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ‘সুপার ফাইভ’ পদে প্রার্থী হতে হলে বর্তমান পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক—এই পাঁচ পদে গোপন ব্যালটে ভোট হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই কাউন্সিল ও সম্মেলনের মাধ্যমে দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই

error:

১৬ বছর পর হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলন ২০ আগস্ট

আপডেট সময় ০৪:৩২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

বাংলার খবর হবিগঞ্জ প্রতিনিধি
দীর্ঘ ১৬ বছর পর আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল ও সম্মেলন। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ।

তিনি জানান, ১১ আগস্ট জেলা বিএনপির বিশেষ সভায় এ তারিখ চূড়ান্ত করা হয়। পৌরসভা মাঠে অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং উদ্বোধন করবেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়াও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলন সফল করতে উপকমিটি ও ১৭ সদস্যের নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে।

সভাপতি পদে শোনা যাচ্ছে—জি কে গউছ, শাম্মী আক্তার ও সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়ার নাম। সাধারণ সম্পাদক পদে রয়েছেন ইসলাম তরফদার তনু, মিজানুর রহমান চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এনামুল হক সেলিম, অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন সেলিম এবং গোলাম কিবরিয়া চৌধুরী বেলাল।

জানা গেছে, সর্বশেষ জেলা বিএনপির কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর। ওই কাউন্সিলে সৈয়দ মো. ফয়সল সভাপতি এবং জি কে গউছ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৯ সালে আবুল হাশিমকে আহ্বায়ক করে আহ্বায়ক কমিটি গঠন হয়, তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তিনি বহিষ্কৃত হন। এরপর থেকে জি কে গউছের নেতৃত্বে জেলা বিএনপির কার্যক্রম চলছে।

দীর্ঘদিন পর কাউন্সিলকে ঘিরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও প্রচারণা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পছন্দের নেতাদের সমর্থনে নানা পোস্ট ও আন্দোলন-সংগ্রামের চিত্র শেয়ার করা হচ্ছে।

জি কে গউছ জানান, জেলা বিএনপির ১৫টি ইউনিট ও ১১টি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ‘সুপার ফাইভ’ পদে প্রার্থী হতে হলে বর্তমান পদ থেকে পদত্যাগ করতে হবে। সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক—এই পাঁচ পদে গোপন ব্যালটে ভোট হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই কাউন্সিল ও সম্মেলনের মাধ্যমে দলীয় শৃঙ্খলা ও সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে।