ঢাকা ০৮:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ‘সাকিব যেকোনো সময় চলে আসতে পারে’ Logo অন্যায় করলে ছাড় নেই, মিথ্যা মামলায় হয়রানি নয় — মাধবপুরে এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল Logo প্রেমিকের সহায়তায় শাশুড়িকে হত্যা, আদালতে দায় স্বীকার গৃহবধূর Logo মাধবপুরে নেশাগ্রস্ত ছেলের অত্যাচারে পিতা বাড়িছাড়া, ইউএনওর কাছে অভিযোগ Logo বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত Logo চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক? Logo পূর্ব ইটাখোলায় ক্বারিয়ানা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ: মাহদী আমিন Logo ঈদের আগে উপজেলা, পরে পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ
নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস—নির্বাচনী মাঠে নতুন গতি

চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদে পুনর্বহাল সৈয়দ লিয়াকত হাসান

স্টাফ রিপোর্টার:

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে দীর্ঘ অপেক্ষার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদে পুনর্বহাল হয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান। তার দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার খবরে শায়েস্তগঞ্জ থেকে চুনারুঘাট পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে, সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় নেতাকর্মীদের আশা, তার সক্রিয় নেতৃত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মোঃ ফয়সলের প্রচারণায় নতুন গতি যোগ হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের জুনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন এবং পরে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সংগঠনের প্রতি তার গ্রহণযোগ্যতা, দক্ষতা ও তৃণমূলে জনপ্রিয়তা বিবেচনায় দলের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে তাকে পুনরায় সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আজ চুনারুঘাটে ফিরে আসার পর হাজারো নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ফুলেল শুভেচ্ছায় তাকে বরণ করে নেন। শ্রমজীবী, কৃষক, তরুণসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, “লিয়াকত হাসান সাহেবের নেতৃত্ব ফিরে পাওয়ায় আমরা আরও উজ্জীবিত। সামনে কঠিন নির্বাচন। এ সময়ে তার নেতৃত্বই আমাদের শক্তি।”

সৈয়দ লিয়াকত হাসান বলেন, “দল আমাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব ফিরিয়ে দিল—এটি চুনারুঘাটের প্রতিটি নেতাকর্মীর সম্মান। নিষ্ঠা, সততা এবং শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করব। সামনে কঠিন নির্বাচন—তাই সবার ঐক্যই এখন সবচেয়ে জরুরি। ধানের শীষের পক্ষে জনমত সুদৃঢ় করতে আমরা মাঠে থাকব।”

তিনি আরও বলেন, “নানা বাধা–বিপত্তির মধ্যেও বিএনপির নেতাকর্মীরা দলের পতাকা ধরে রেখেছেন। তাদের সাহস ও ত্যাগ আমাকে অনুপ্রাণিত করে। সংগঠনের ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করাই এখন লক্ষ্য।”

পুনর্বহালের খবরে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল বলেন, “লিয়াকত ভাই তৃণমূলের প্রাণ। তার ফিরে আসা নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করবে। চুনারুঘাট–মাধবপুরে গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণের আন্দোলনে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

তিনি আরও বলেন, “দলকে সুসংগঠিত করা, ভোটারদের কাছে দলের বার্তা পৌঁছানো এবং অন্যায়–অবিচারের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে লিয়াকত হাসানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিট ও অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা জানান, তার নেতৃত্বে চুনারুঘাটে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং নির্বাচনী মাঠে বিএনপি সুসংগঠিতভাবে উপস্থিত থাকবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সাকিব যেকোনো সময় চলে আসতে পারে’

error:

নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস—নির্বাচনী মাঠে নতুন গতি

চুনারুঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদে পুনর্বহাল সৈয়দ লিয়াকত হাসান

আপডেট সময় ০৪:১২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টার:

হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে দীর্ঘ অপেক্ষার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদে পুনর্বহাল হয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ লিয়াকত হাসান। তার দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার খবরে শায়েস্তগঞ্জ থেকে চুনারুঘাট পর্যন্ত দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ–উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে, সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। স্থানীয় নেতাকর্মীদের আশা, তার সক্রিয় নেতৃত্বে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ মোঃ ফয়সলের প্রচারণায় নতুন গতি যোগ হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের জুনে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গিয়ে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন এবং পরে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। সংগঠনের প্রতি তার গ্রহণযোগ্যতা, দক্ষতা ও তৃণমূলে জনপ্রিয়তা বিবেচনায় দলের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে তাকে পুনরায় সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আজ চুনারুঘাটে ফিরে আসার পর হাজারো নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ফুলেল শুভেচ্ছায় তাকে বরণ করে নেন। শ্রমজীবী, কৃষক, তরুণসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে দেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, “লিয়াকত হাসান সাহেবের নেতৃত্ব ফিরে পাওয়ায় আমরা আরও উজ্জীবিত। সামনে কঠিন নির্বাচন। এ সময়ে তার নেতৃত্বই আমাদের শক্তি।”

সৈয়দ লিয়াকত হাসান বলেন, “দল আমাকে যে সম্মান ও দায়িত্ব ফিরিয়ে দিল—এটি চুনারুঘাটের প্রতিটি নেতাকর্মীর সম্মান। নিষ্ঠা, সততা এবং শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করব। সামনে কঠিন নির্বাচন—তাই সবার ঐক্যই এখন সবচেয়ে জরুরি। ধানের শীষের পক্ষে জনমত সুদৃঢ় করতে আমরা মাঠে থাকব।”

তিনি আরও বলেন, “নানা বাধা–বিপত্তির মধ্যেও বিএনপির নেতাকর্মীরা দলের পতাকা ধরে রেখেছেন। তাদের সাহস ও ত্যাগ আমাকে অনুপ্রাণিত করে। সংগঠনের ঐক্যকে আরও শক্তিশালী করাই এখন লক্ষ্য।”

পুনর্বহালের খবরে অভিনন্দন জানিয়ে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়সল বলেন, “লিয়াকত ভাই তৃণমূলের প্রাণ। তার ফিরে আসা নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন মাত্রা যোগ করবে। চুনারুঘাট–মাধবপুরে গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণের আন্দোলনে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।”

তিনি আরও বলেন, “দলকে সুসংগঠিত করা, ভোটারদের কাছে দলের বার্তা পৌঁছানো এবং অন্যায়–অবিচারের বিরুদ্ধে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন গড়ে তুলতে লিয়াকত হাসানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”

উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন ইউনিট ও অঙ্গসংগঠনের নেতা–কর্মীরা জানান, তার নেতৃত্বে চুনারুঘাটে সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে এবং নির্বাচনী মাঠে বিএনপি সুসংগঠিতভাবে উপস্থিত থাকবে।