
নিজস্ব প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অতিদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ভিজিএফ চালের বস্তা জোরপূর্বক নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ৪ নম্বর আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর খোরশেদ আলম গভীর আক্ষেপ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদে চাল বিতরণ চলাকালে চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মোঃ আব্দুল কাইয়ুম সর্দার ৫ বস্তা চাল জোরপূর্বক নিয়ে যান। পরে তাকে দেখে আরও কয়েকজন মিলে আরও ৩ বস্তা চাল নিয়ে চলে যান।
এভাবে চালের বস্তাগুলো নিয়ে যাওয়ায় তালিকাভুক্ত অনেক দুস্থ মানুষ শেষ পর্যন্ত চাল না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরে গেছেন। অনেকে ক্ষোভ ও দুঃখে ইউনিয়ন পরিষদের সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে জানা গেছে।
আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলম বলেন, এই ঘটনায় কেবল তার ব্যক্তিগত সম্মান ক্ষুণ্ণ হয়নি, বরং দলের ভাবমূর্তিও নষ্ট হয়েছে। গরিব মানুষের হক এভাবে কেড়ে নেওয়া অত্যন্ত লজ্জাজনক বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
তবে চাল নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত যুবদল নেতা আব্দুল কাইয়ুম সর্দার। তিনি দাবি করেন, তারা ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে ৪১ বস্তা চাল অবশিষ্ট দেখতে পান এবং সেখান থেকে মাত্র ৩ বস্তা চাল মসজিদের মুয়াজ্জিনকে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে এলাকাবাসী ও সচেতন মহলের দাবি, ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















