ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক Logo হবিগঞ্জে হামলায় দৃষ্টিশক্তি হারানো আলিফকে দেখতে গেলেন জামায়াত আমির Logo ঢামেক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মির্জা আব্বাস

মাধবপুরে খিরার বাম্পার ফলনে লাভের স্বপ্ন দেখছে কৃষক

  • শেখ ইমন আহমেদ
  • আপডেট সময় ০৪:৩৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৭৯০ Time View

স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে। দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষকরা। খিরা চাষে কম খরচ ও বেশি লাভ হওয়ায় এ বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খিরা চাষ বেড়েছে। নতুন করে খিরা চাষে যুক্ত হয়েছেন অনেক চাষি।

উপজেলার বুল্লা গ্রামের কৃষক ধনু মিয়া জানান, তার জমিতে খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে। বুল্লা গ্রামে অন্যান্য চাষিরাও খিরা চাষে মনোযোগী হয়েছেন, কারণ বাজারে খিরার চাহিদা প্রচুর। পাইকাররা আগ্রহের সঙ্গে খিরা কিনছেন। বুল্লা ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি খিরার ফলন হয়।

চাষি ছায়েদ মিয়া জানান, এ বছর খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে এবং দাম গত বছরের তুলনায় বেশি। বর্তমানে প্রতি কেজি খিরার পাইকারি দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খিরা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। তিনি প্রতি সপ্তাহে পাঁচ হাজার থেকে সাত হাজার টাকার খিরা বিক্রি করছেন।

আরেক চাষি মাসুক মিয়া জানান, কয়েক বছর আগে পরিবারের অভাব মেটাতে ৩০ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ শুরু করেন। এই বছর ৬০ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে খিরা তোলা শুরু হয়েছে এবং এপ্রিল মাস পর্যন্ত তা চলবে। তবে দাম মার্চের পর কমে যেতে পারে। তবে সব মিলিয়ে, এবছর খিরা থেকে আয় গত বছরের তুলনায় বেশি হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউল হক জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় হাইব্রিড খিরাপাওয়া গেলেও বুল্লা ইউনিয়নে জমিতে দেশীয় খিরার ভালো ফলন হয়েছে। এখানকার খিরার স্বাদও বিশেষ, তাই বাজারে এর চাহিদা সব চেয়ে বেশি।

বুল্লা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নে খিরা চাষ হলেও বুল্লা ইউনিয়নে খিরার ফলন সবচেয়ে বেশি হয়।

মাধবপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সজীব সরকার জানান, এবছর ৭০ হেক্টর জমিতে খিরা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। ফলন ও দাম বাড়ায় কৃষকের লাভ হয়েছে এবং স্থানীয় চাষিদের মধ্যে খিরা চাষের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

বাংলার খবর

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির

error:

মাধবপুরে খিরার বাম্পার ফলনে লাভের স্বপ্ন দেখছে কৃষক

আপডেট সময় ০৪:৩৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

স্টাফ রিপোর্টারঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে। দাম ভালো পাওয়ায় খুশি কৃষকরা। খিরা চাষে কম খরচ ও বেশি লাভ হওয়ায় এ বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খিরা চাষ বেড়েছে। নতুন করে খিরা চাষে যুক্ত হয়েছেন অনেক চাষি।

উপজেলার বুল্লা গ্রামের কৃষক ধনু মিয়া জানান, তার জমিতে খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে। বুল্লা গ্রামে অন্যান্য চাষিরাও খিরা চাষে মনোযোগী হয়েছেন, কারণ বাজারে খিরার চাহিদা প্রচুর। পাইকাররা আগ্রহের সঙ্গে খিরা কিনছেন। বুল্লা ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি খিরার ফলন হয়।

চাষি ছায়েদ মিয়া জানান, এ বছর খিরার বাম্পার ফলন হয়েছে এবং দাম গত বছরের তুলনায় বেশি। বর্তমানে প্রতি কেজি খিরার পাইকারি দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি খিরা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। তিনি প্রতি সপ্তাহে পাঁচ হাজার থেকে সাত হাজার টাকার খিরা বিক্রি করছেন।

আরেক চাষি মাসুক মিয়া জানান, কয়েক বছর আগে পরিবারের অভাব মেটাতে ৩০ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ শুরু করেন। এই বছর ৬০ শতাংশ জমিতে খিরা চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে খিরা তোলা শুরু হয়েছে এবং এপ্রিল মাস পর্যন্ত তা চলবে। তবে দাম মার্চের পর কমে যেতে পারে। তবে সব মিলিয়ে, এবছর খিরা থেকে আয় গত বছরের তুলনায় বেশি হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াউল হক জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকায় হাইব্রিড খিরাপাওয়া গেলেও বুল্লা ইউনিয়নে জমিতে দেশীয় খিরার ভালো ফলন হয়েছে। এখানকার খিরার স্বাদও বিশেষ, তাই বাজারে এর চাহিদা সব চেয়ে বেশি।

বুল্লা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নে খিরা চাষ হলেও বুল্লা ইউনিয়নে খিরার ফলন সবচেয়ে বেশি হয়।

মাধবপুর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা সজীব সরকার জানান, এবছর ৭০ হেক্টর জমিতে খিরা চাষ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় বেশি। ফলন ও দাম বাড়ায় কৃষকের লাভ হয়েছে এবং স্থানীয় চাষিদের মধ্যে খিরা চাষের আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে।