ঢাকা ১০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর, বিজিবি-২৫ ব্যাটালিয়ন, জাব্বার আহমেদ, পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, শারদীয় দুর্গাপূজা, ধর্মঘর, চৌমুহনী Logo বসুন্ধরায় অতিরিক্ত ডিআইজির ভাড়া দেওয়া বাড়িতে ডিবির অভিযান, আটক ৮৪ Logo শ্রম অসন্তোষের পেছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রীর, পানির ন্যায্য হিস্যার অঙ্গীকার Logo চুনারুঘাটের চা বাগানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে এমপিপুত্র সৈয়দ শাফকাত আহমেদ Logo হবিগঞ্জে ৬৪ পূজামণ্ডপে বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে ৫৫ বিজিবি Logo নবীগঞ্জে মাদানী পাঠাগারের উদ্যোগে রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি Logo লাখাইয়ে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে করাব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের শোডাউন Logo নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ৩০ Logo আন্দিউড়ায় পূজামণ্ডপে পূজারীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মোত্তাকিম চৌধুরী Logo কক্সবাজারে দিনের বেলায় দুই দফায় ডাকাতি, ৬০ যানবাহনের যাত্রীদের জিম্মি করে লুট

‘চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব’— ওসিকে বিএনপি নেতা

হবিগঞ্জের বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতির মোবাইল ফোনে কথোপকথনকে কেন্দ্র করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কল রেকর্ডে বিএনপি নেতার হুমকি ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনায় জড়িতরা হলেন বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার এবং বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম। কল রেকর্ডে বিএনপি নেতা ওসিকে উদ্দেশ করে বলেন, “বাহুবলে চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব”— এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত নির্বাচনের আগে মাসুক মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় এই বিরোধের সূত্রপাত। পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৯ সেশনের স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটির সদস্য ছিলেন মাসুক মিয়া। গ্রেপ্তারের পর উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা তাকে বিএনপির কর্মী দাবি করে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তা সফল হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার মোবাইল ফোনে ওসি সাইফুল ইসলামকে হুমকি ও গালাগালাজ করেন। এই কথোপকথনের একটি অডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও অডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল তিনি ধরতে পারেননি। পরে অন্য একটি নম্বর থেকে ফোন করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালাজ করা হয় এবং চাকরি করতে হলে তার অনুমতি নিতে হবে— এমন বক্তব্য দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ওসি মহাসড়ক থেকে জব্দ করা অবৈধ সিগারেট আত্মসাৎ, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এসব অভিযোগ তিনি পুলিশ সুপারকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর, বিজিবি-২৫ ব্যাটালিয়ন, জাব্বার আহমেদ, পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, শারদীয় দুর্গাপূজা, ধর্মঘর, চৌমুহনী

error:

‘চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব’— ওসিকে বিএনপি নেতা

আপডেট সময় ০৪:১৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতির মোবাইল ফোনে কথোপকথনকে কেন্দ্র করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কল রেকর্ডে বিএনপি নেতার হুমকি ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনায় জড়িতরা হলেন বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার এবং বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম। কল রেকর্ডে বিএনপি নেতা ওসিকে উদ্দেশ করে বলেন, “বাহুবলে চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব”— এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত নির্বাচনের আগে মাসুক মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় এই বিরোধের সূত্রপাত। পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৯ সেশনের স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটির সদস্য ছিলেন মাসুক মিয়া। গ্রেপ্তারের পর উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা তাকে বিএনপির কর্মী দাবি করে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তা সফল হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার মোবাইল ফোনে ওসি সাইফুল ইসলামকে হুমকি ও গালাগালাজ করেন। এই কথোপকথনের একটি অডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও অডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল তিনি ধরতে পারেননি। পরে অন্য একটি নম্বর থেকে ফোন করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালাজ করা হয় এবং চাকরি করতে হলে তার অনুমতি নিতে হবে— এমন বক্তব্য দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ওসি মহাসড়ক থেকে জব্দ করা অবৈধ সিগারেট আত্মসাৎ, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এসব অভিযোগ তিনি পুলিশ সুপারকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন।