
মাধবপুর প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে হত্যা করে লাশ গুম করার আলোচিত মামলায় এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।
র্যাব-৯ সিলেটের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে. এম. শহিদুল ইসলাম সোহাগ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিহত ফারুক মিয়া (৫৩) মাধবপুর উপজেলার আফজলপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। মামলার প্রধান অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী (রুবেল) ভিকটিমের মাধ্যমে ওয়াসিম মিয়াকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা নেয়। পরে চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে ওই টাকা ফেরত চাইলে ফারুক মিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ফারুক মিয়া মনতলা বাজারে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে মাধবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে উপজেলার একটি বাঁশঝাড় থেকে পচা-গলিত একটি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরনের কাপড় দেখে পরিবারের সদস্যরা সেটিকে ফারুক মিয়ার লাশ হিসেবে শনাক্ত করেন।
পরিবারের অভিযোগ, পাওনা টাকার জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে মাধবপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব জানায়, মামলার তদন্তে ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সিপিসি-৩ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের একটি দল মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার পলাতক আসামি মামুন মিয়া (২৪)-কে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃত মামুন মিয়া উপজেলার উত্তর আফজলপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
গ্রেফতারের পর তাকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৯ জানায়, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























