
হবিগঞ্জের বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতির মোবাইল ফোনে কথোপকথনকে কেন্দ্র করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কল রেকর্ডে বিএনপি নেতার হুমকি ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনায় জড়িতরা হলেন বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার এবং বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম। কল রেকর্ডে বিএনপি নেতা ওসিকে উদ্দেশ করে বলেন, “বাহুবলে চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব”— এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত নির্বাচনের আগে মাসুক মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় এই বিরোধের সূত্রপাত। পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৯ সেশনের স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটির সদস্য ছিলেন মাসুক মিয়া। গ্রেপ্তারের পর উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা তাকে বিএনপির কর্মী দাবি করে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তা সফল হয়নি।
অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার মোবাইল ফোনে ওসি সাইফুল ইসলামকে হুমকি ও গালাগালাজ করেন। এই কথোপকথনের একটি অডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও অডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল তিনি ধরতে পারেননি। পরে অন্য একটি নম্বর থেকে ফোন করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালাজ করা হয় এবং চাকরি করতে হলে তার অনুমতি নিতে হবে— এমন বক্তব্য দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ওসি মহাসড়ক থেকে জব্দ করা অবৈধ সিগারেট আত্মসাৎ, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এসব অভিযোগ তিনি পুলিশ সুপারকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 


























