ঢাকা ১২:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার

‘চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব’— ওসিকে বিএনপি নেতা

হবিগঞ্জের বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতির মোবাইল ফোনে কথোপকথনকে কেন্দ্র করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কল রেকর্ডে বিএনপি নেতার হুমকি ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনায় জড়িতরা হলেন বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার এবং বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম। কল রেকর্ডে বিএনপি নেতা ওসিকে উদ্দেশ করে বলেন, “বাহুবলে চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব”— এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত নির্বাচনের আগে মাসুক মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় এই বিরোধের সূত্রপাত। পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৯ সেশনের স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটির সদস্য ছিলেন মাসুক মিয়া। গ্রেপ্তারের পর উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা তাকে বিএনপির কর্মী দাবি করে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তা সফল হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার মোবাইল ফোনে ওসি সাইফুল ইসলামকে হুমকি ও গালাগালাজ করেন। এই কথোপকথনের একটি অডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও অডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল তিনি ধরতে পারেননি। পরে অন্য একটি নম্বর থেকে ফোন করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালাজ করা হয় এবং চাকরি করতে হলে তার অনুমতি নিতে হবে— এমন বক্তব্য দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ওসি মহাসড়ক থেকে জব্দ করা অবৈধ সিগারেট আত্মসাৎ, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এসব অভিযোগ তিনি পুলিশ সুপারকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড

error:

‘চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব’— ওসিকে বিএনপি নেতা

আপডেট সময় ০৪:১৯:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতির মোবাইল ফোনে কথোপকথনকে কেন্দ্র করে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিও কল রেকর্ডে বিএনপি নেতার হুমকি ও অশালীন ভাষা ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনায় জড়িতরা হলেন বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার এবং বাহুবল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম। কল রেকর্ডে বিএনপি নেতা ওসিকে উদ্দেশ করে বলেন, “বাহুবলে চাকরি করতে হলে আমারে কইয়া করন লাগব”— এমন বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত নির্বাচনের আগে মাসুক মিয়া নামের এক যুবককে গ্রেপ্তারের ঘটনায় এই বিরোধের সূত্রপাত। পুলিশ সূত্র জানায়, ২০১৯ সেশনের স্থানীয় ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটির সদস্য ছিলেন মাসুক মিয়া। গ্রেপ্তারের পর উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা তাকে বিএনপির কর্মী দাবি করে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তা সফল হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষার মোবাইল ফোনে ওসি সাইফুল ইসলামকে হুমকি ও গালাগালাজ করেন। এই কথোপকথনের একটি অডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও অডিওটি ঠিক কবে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতির একটি কল তিনি ধরতে পারেননি। পরে অন্য একটি নম্বর থেকে ফোন করে তাকে অকথ্য ভাষায় গালাগালাজ করা হয় এবং চাকরি করতে হলে তার অনুমতি নিতে হবে— এমন বক্তব্য দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তোষারের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে তিনি অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট ওসি মহাসড়ক থেকে জব্দ করা অবৈধ সিগারেট আত্মসাৎ, মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। এসব অভিযোগ তিনি পুলিশ সুপারকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন।