ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা Logo দেশজুড়ে পুলিশের যানবাহনে নাশকতার আশঙ্কা, কড়া সতর্কতা Logo নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্ছিত ঘোষণা বিএনপির Logo ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি Logo ইটিপি ব্যবহারে অনিয়মের অভিযোগ, মাধবপুরে কৃষিজমি-জলাশয় ও জনস্বাস্থ্য হুমকিতে Logo লাখাইয়ের হাওরে কচুরিপানার জট, বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক Logo সিলেটে এনসিপির গাড়িবহরে হামলা, আহত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী Logo গাঁজা সেবন ও চুরির অভিযোগে লাখাইয়ে যুবক গ্রেপ্তার Logo জামালপুরে জলাবদ্ধতায় তিন বছরে শেষ ১৩৭ মাতৃ লিচুগাছ, সরকারি উদাসীনতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে কামরুল ইসলাম সভাপতি, জসিম উদ্দিন সাধারণ সম্পাদক

ভোলায় অবরুদ্ধ ৩ উপদেষ্টা

বাংলা খবর ডেস্ক:

ভোলা–বরিশাল সেতুর ঘোষিত কাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু না হওয়ায় ভোলায় সফররত তিন উপদেষ্টাকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কয়েকশ’ মানুষ স্লোগান দিয়ে তাদের ঘিরে ধরে।

অবরুদ্ধ হওয়া তিন উপদেষ্টা হলেন—সেতু, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে দুই যুবক উপদেষ্টাদের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়ে যান, ফলে গাড়ি থেমে যায় এবং উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ভোলাবাসীর পাঁচ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম ভোলা–বরিশাল সেতুর কাজ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুরু না হওয়ার বিষয়টি জনসমাজে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে। স্থানীয়রা জানান, বহুবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

এদিন জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা ফাওজুল কবির জানান, পুরাতন নকশায় সেতু নির্মাণ সম্ভব নয়, তাই নতুন নকশার কাজ চলছে। তিনি জানান, জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নকশার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সেতুর কাজ শুরু করা হবে। তবে নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করেননি।

এই বক্তব্যের পর সভাস্থলের বাইরে অপেক্ষমাণ বিক্ষুব্ধ জনতা ক্ষোভ প্রকাশ করে উপদেষ্টাদের পদত্যাগের দাবি জানায়। প্রায় ২০ মিনিট অবরুদ্ধ থাকার পর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে উপদেষ্টারা সেখান থেকে বের হন।

এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তরিকুল ইসলাম কায়েদ অভিযোগ করে বলেন, আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিসেম্বরেই সেতুর দৃশ্যমান কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ নতুন তথ্য দেওয়া হয়েছে। তিনি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির ও উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের পদত্যাগ দাবি করেন।

ভোলা সদর মডেল থানার ওসি আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারেভজ জানান, বিক্ষুব্ধরা সেতু নির্মাণ ও ঘরে ঘরে গ্যাসের দাবি জানিয়ে উপদেষ্টাদের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েছিল। পরে শান্তভাবে সবাইকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

মাধবপুরে বোয়ালিয়া খালের জরাজীর্ণ ব্রিজ, বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

error:

ভোলায় অবরুদ্ধ ৩ উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১০:০৪:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

বাংলা খবর ডেস্ক:

ভোলা–বরিশাল সেতুর ঘোষিত কাজ নির্ধারিত সময়ে শুরু না হওয়ায় ভোলায় সফররত তিন উপদেষ্টাকে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে কয়েকশ’ মানুষ স্লোগান দিয়ে তাদের ঘিরে ধরে।

অবরুদ্ধ হওয়া তিন উপদেষ্টা হলেন—সেতু, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে দুই যুবক উপদেষ্টাদের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়ে যান, ফলে গাড়ি থেমে যায় এবং উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

ভোলাবাসীর পাঁচ দফা দাবির মধ্যে অন্যতম ভোলা–বরিশাল সেতুর কাজ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে শুরু না হওয়ার বিষয়টি জনসমাজে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করে। স্থানীয়রা জানান, বহুবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।

এদিন জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা ফাওজুল কবির জানান, পুরাতন নকশায় সেতু নির্মাণ সম্ভব নয়, তাই নতুন নকশার কাজ চলছে। তিনি জানান, জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির মধ্যে নকশার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সেতুর কাজ শুরু করা হবে। তবে নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করেননি।

এই বক্তব্যের পর সভাস্থলের বাইরে অপেক্ষমাণ বিক্ষুব্ধ জনতা ক্ষোভ প্রকাশ করে উপদেষ্টাদের পদত্যাগের দাবি জানায়। প্রায় ২০ মিনিট অবরুদ্ধ থাকার পর স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে উপদেষ্টারা সেখান থেকে বের হন।

এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তরিকুল ইসলাম কায়েদ অভিযোগ করে বলেন, আগের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ডিসেম্বরেই সেতুর দৃশ্যমান কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আজ নতুন তথ্য দেওয়া হয়েছে। তিনি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির ও উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের পদত্যাগ দাবি করেন।

ভোলা সদর মডেল থানার ওসি আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারেভজ জানান, বিক্ষুব্ধরা সেতু নির্মাণ ও ঘরে ঘরে গ্যাসের দাবি জানিয়ে উপদেষ্টাদের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়েছিল। পরে শান্তভাবে সবাইকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।