ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান: জরিমানা ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৯ জনের কারাদণ্ড

বাংলার খবর ডেস্ক :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ড্রেজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানে বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে চলতি নভেম্বর পর্যন্ত বিগত ১০ মাসে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময়ে নদী, খাল ও সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোট ৪৪টি অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং আইন অমান্য করার দায়ে ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে ২৫টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন অপসারণ ও ৪টি ড্রেজার জব্দ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ, ২৩টি ট্রাক্টর ও ২টি এক্সকাভেটর আটক করা হয়েছে। অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৭টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও জনস্বার্থে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।”

প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে মাধবপুরে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

মাধবপুরে অবৈধ বালু উত্তোলন রোধে প্রশাসনের কঠোর অভিযান: জরিমানা ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, ৯ জনের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ০৯:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক :

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও ড্রেজিংয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযানে বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে।

উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৭ জানুয়ারি থেকে চলতি নভেম্বর পর্যন্ত বিগত ১০ মাসে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’ অনুযায়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম-এর নেতৃত্বে একাধিক অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময়ে নদী, খাল ও সরকারি জমি থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে মোট ৪৪টি অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হয়। এসব অভিযানে ১৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় এবং আইন অমান্য করার দায়ে ৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে ২৫টি অবৈধ ড্রেজার মেশিন অপসারণ ও ৪টি ড্রেজার জব্দ করা হয়। এছাড়া প্রায় ১০ হাজার ফুট পাইপ অপসারণ, ২৩টি ট্রাক্টর ও ২টি এক্সকাভেটর আটক করা হয়েছে। অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ৭টি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পাচার রোধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যারা আইন অমান্য করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জাহিদ বিন কাশেম বলেন,
“অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। পরিবেশ রক্ষা, নদীভাঙন প্রতিরোধ ও জনস্বার্থে প্রশাসন বদ্ধপরিকর।”

প্রশাসনের এ কঠোর পদক্ষেপে স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকলে মাধবপুরে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধ হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।