ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভারতে প্রবেশের চেষ্টায় জামালগঞ্জ নির্বাচন অফিসের কর্মচারী আটক Logo মাধবপুরে লেবুর দামে অস্বস্তি, হালি ৩০-৪০ টাকা Logo নাসিরনগর সরকারি ডিগ্রি কলেজ কালচারাল ক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা Logo লাখাইয়ে করাব ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মেহেদী হাসান দুলাল গ্রেপ্তার Logo ৮ দিন পর দুই ইউনিটে উৎপাদনে ফিরল রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র Logo শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহমের ছুটি ২৩ সেপ্টেম্বর Logo সাতক্ষীরার সেই এমপি গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার Logo জামালপুরে বিচারকের বাসায় চুরি: আরও ৫ জন গ্রেপ্তার, আগের ৫ জন জড়িত নন Logo আখাউড়া সীমান্তে কাঁটাতারের পাশে কিশোরের মরদেহ, উদ্ধারে বিজিবি-বিএসএফের সমন্বয়ের উদ্যোগ Logo আশুলিয়ায় পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৪ ইউনিট

মাধবপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, শপিংমলগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। মাধবপুর পৌর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান ও শপিংমলে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে শিশু, কিশোর-কিশোরীসহ নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নারী ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন পেশার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটায় মার্কেটমুখী হচ্ছেন।

ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি দোকানের কারিগররাও। ক্রেতাদের রুচি ও আধুনিক ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত তারা। কোথাও সালোয়ার-কামিজ, আবার কোথাও পাঞ্জাবি তৈরিতে সেলাই মেশিনের খরখর শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে দর্জি দোকানগুলো।

মাধবপুর পৌর বাজারের আলিফ ট্রেইলার্সের পরিচালক জানান, রোজার কয়েকদিন আগে থেকেই গ্রাহকদের অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। আধুনিক ডিজাইনের পোশাক তৈরি করার কারণে অনেক ক্রেতাই এখানে আসেন। ঈদকে সামনে রেখে কাজের চাপও বেড়েছে। ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী সেলাই মজুরি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

দর্জি দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গতবারের তুলনায় এবার সেলাই মজুরিও কিছুটা বেড়েছে। সুমন মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “এবার শিশুদের জামা-কাপড়, জুতা, বড়দের শাড়ি, শার্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গিসহ প্রায় সব ধরনের পোশাকের দামই বেশি। পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি।”

পাল গার্মেন্টসের মালিক সুখদেব পাল বলেন, “ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাপড় আনা হয়েছে। রোজার শুরু থেকেই ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করছি ঈদের আগে বিক্রি আরও বাড়বে।”

পোশাকের পাশাপাশি জুতা ও প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন জুতার শোরুমে সব বয়সী ক্রেতাদের নতুন জুতা বাছাই করতে দেখা যায়। বিক্রেতারা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কেনাকাটার ভিড়ও তত বাড়ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতে প্রবেশের চেষ্টায় জামালগঞ্জ নির্বাচন অফিসের কর্মচারী আটক

error:

মাধবপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, শপিংমলগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই

আপডেট সময় ১০:২৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। মাধবপুর পৌর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান ও শপিংমলে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে শিশু, কিশোর-কিশোরীসহ নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নারী ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন পেশার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটায় মার্কেটমুখী হচ্ছেন।

ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি দোকানের কারিগররাও। ক্রেতাদের রুচি ও আধুনিক ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত তারা। কোথাও সালোয়ার-কামিজ, আবার কোথাও পাঞ্জাবি তৈরিতে সেলাই মেশিনের খরখর শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে দর্জি দোকানগুলো।

মাধবপুর পৌর বাজারের আলিফ ট্রেইলার্সের পরিচালক জানান, রোজার কয়েকদিন আগে থেকেই গ্রাহকদের অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। আধুনিক ডিজাইনের পোশাক তৈরি করার কারণে অনেক ক্রেতাই এখানে আসেন। ঈদকে সামনে রেখে কাজের চাপও বেড়েছে। ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী সেলাই মজুরি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

দর্জি দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গতবারের তুলনায় এবার সেলাই মজুরিও কিছুটা বেড়েছে। সুমন মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “এবার শিশুদের জামা-কাপড়, জুতা, বড়দের শাড়ি, শার্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গিসহ প্রায় সব ধরনের পোশাকের দামই বেশি। পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি।”

পাল গার্মেন্টসের মালিক সুখদেব পাল বলেন, “ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাপড় আনা হয়েছে। রোজার শুরু থেকেই ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করছি ঈদের আগে বিক্রি আরও বাড়বে।”

পোশাকের পাশাপাশি জুতা ও প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন জুতার শোরুমে সব বয়সী ক্রেতাদের নতুন জুতা বাছাই করতে দেখা যায়। বিক্রেতারা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কেনাকাটার ভিড়ও তত বাড়ছে।