ঢাকা ১১:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

মাধবপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, শপিংমলগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। মাধবপুর পৌর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান ও শপিংমলে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে শিশু, কিশোর-কিশোরীসহ নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নারী ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন পেশার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটায় মার্কেটমুখী হচ্ছেন।

ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি দোকানের কারিগররাও। ক্রেতাদের রুচি ও আধুনিক ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত তারা। কোথাও সালোয়ার-কামিজ, আবার কোথাও পাঞ্জাবি তৈরিতে সেলাই মেশিনের খরখর শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে দর্জি দোকানগুলো।

মাধবপুর পৌর বাজারের আলিফ ট্রেইলার্সের পরিচালক জানান, রোজার কয়েকদিন আগে থেকেই গ্রাহকদের অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। আধুনিক ডিজাইনের পোশাক তৈরি করার কারণে অনেক ক্রেতাই এখানে আসেন। ঈদকে সামনে রেখে কাজের চাপও বেড়েছে। ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী সেলাই মজুরি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

দর্জি দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গতবারের তুলনায় এবার সেলাই মজুরিও কিছুটা বেড়েছে। সুমন মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “এবার শিশুদের জামা-কাপড়, জুতা, বড়দের শাড়ি, শার্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গিসহ প্রায় সব ধরনের পোশাকের দামই বেশি। পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি।”

পাল গার্মেন্টসের মালিক সুখদেব পাল বলেন, “ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাপড় আনা হয়েছে। রোজার শুরু থেকেই ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করছি ঈদের আগে বিক্রি আরও বাড়বে।”

পোশাকের পাশাপাশি জুতা ও প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন জুতার শোরুমে সব বয়সী ক্রেতাদের নতুন জুতা বাছাই করতে দেখা যায়। বিক্রেতারা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কেনাকাটার ভিড়ও তত বাড়ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

মাধবপুরে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা, শপিংমলগুলোতে তিল ধারণের ঠাঁই নেই

আপডেট সময় ১০:২৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

শেখ ইমন আহমেদ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা। নতুন পোশাক ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা। মাধবপুর পৌর বাজারসহ উপজেলার বিভিন্ন মার্কেট, বিপণিবিতান ও শপিংমলে প্রতিদিনই বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে শিশু, কিশোর-কিশোরীসহ নারী-পুরুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে নারী ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক বেশি। বিভিন্ন পেশার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদের কেনাকাটায় মার্কেটমুখী হচ্ছেন।

ঈদকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি দোকানের কারিগররাও। ক্রেতাদের রুচি ও আধুনিক ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নতুন নতুন পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত তারা। কোথাও সালোয়ার-কামিজ, আবার কোথাও পাঞ্জাবি তৈরিতে সেলাই মেশিনের খরখর শব্দে মুখর হয়ে উঠেছে দর্জি দোকানগুলো।

মাধবপুর পৌর বাজারের আলিফ ট্রেইলার্সের পরিচালক জানান, রোজার কয়েকদিন আগে থেকেই গ্রাহকদের অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। আধুনিক ডিজাইনের পোশাক তৈরি করার কারণে অনেক ক্রেতাই এখানে আসেন। ঈদকে সামনে রেখে কাজের চাপও বেড়েছে। ডিজাইনের ধরন অনুযায়ী সেলাই মজুরি ৩৫০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে।

দর্জি দোকানে আসা কয়েকজন ক্রেতা জানান, গতবারের তুলনায় এবার সেলাই মজুরিও কিছুটা বেড়েছে। সুমন মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, “এবার শিশুদের জামা-কাপড়, জুতা, বড়দের শাড়ি, শার্ট, পাঞ্জাবি, লুঙ্গিসহ প্রায় সব ধরনের পোশাকের দামই বেশি। পরিবার নিয়ে ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছি।”

পাল গার্মেন্টসের মালিক সুখদেব পাল বলেন, “ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের কাপড় আনা হয়েছে। রোজার শুরু থেকেই ক্রেতাদের ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। আশা করছি ঈদের আগে বিক্রি আরও বাড়বে।”

পোশাকের পাশাপাশি জুতা ও প্রসাধনীর দোকানগুলোতেও ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেছে। বিভিন্ন জুতার শোরুমে সব বয়সী ক্রেতাদের নতুন জুতা বাছাই করতে দেখা যায়। বিক্রেতারা জানান, ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, কেনাকাটার ভিড়ও তত বাড়ছে।