ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে এনসিপির কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা, হাতাহাতি Logo চা বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী Logo এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি

মাধবপুরে সোনাই নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের সোনাই নদীর সরকারি জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্বপালনকালে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান সংবাদ পান যে, চৌমুহনী ইউনিয়নের বরুড়া সাকিনস্থ রাবার ড্রাম এলাকার দক্ষিণ পাশে সরকারি খাস খতিয়ানের ইজারাবিহীন অংশ থেকে কিছু লোক অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।

সংবাদ পাওয়ার পর তিনি অফিস সহায়ক মো. ইব্রাহীম আহাম্মদগুলিটন ও মো. শরীফ মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান, প্রায় ১৫-২০ জন লোক নদী থেকে বালু তুলছে। কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া যায়। তারা হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), মো. সোহেল মিয়া (৪৮), মো. শুভ মিয়া (২৫), মো. মাজহারুল ইসলাম (২৫), মো. শাকিল মিয়া (৩৩) ও মো. রনি মিয়া (৩২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উল্লিখিত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছে।

এ ঘটনায় মো. মজিবুর রহমান মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পক্ষে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর ১৫(১) ধারায় মাধবপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিয়মিতভাবে সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের সোনাই নদী থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি সম্পদের ক্ষতি করছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
> “অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে অভিযানের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি স্থানে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি

error:

মাধবপুরে সোনাই নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ১২:৫১:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের সোনাই নদীর সরকারি জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১১টার দিকে মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে দায়িত্বপালনকালে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান সংবাদ পান যে, চৌমুহনী ইউনিয়নের বরুড়া সাকিনস্থ রাবার ড্রাম এলাকার দক্ষিণ পাশে সরকারি খাস খতিয়ানের ইজারাবিহীন অংশ থেকে কিছু লোক অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে।

সংবাদ পাওয়ার পর তিনি অফিস সহায়ক মো. ইব্রাহীম আহাম্মদগুলিটন ও মো. শরীফ মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান, প্রায় ১৫-২০ জন লোক নদী থেকে বালু তুলছে। কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের পরিচয় পাওয়া যায়। তারা হলেন— মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫), মো. সোহেল মিয়া (৪৮), মো. শুভ মিয়া (২৫), মো. মাজহারুল ইসলাম (২৫), মো. শাকিল মিয়া (৩৩) ও মো. রনি মিয়া (৩২)।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উল্লিখিত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পরস্পর যোগসাজশে সরকারি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছে।

এ ঘটনায় মো. মজিবুর রহমান মনতলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পক্ষে ‘বালু মহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০’-এর ১৫(১) ধারায় মাধবপুর থানায় এজাহার দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিরা নিয়মিতভাবে সরকারি ১নং খাস খতিয়ানের সোনাই নদী থেকে বালু উত্তোলনের মাধ্যমে সরকারি সম্পদের ক্ষতি করছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মুজিবুল ইসলাম বলেন,
> “অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে অভিযানের মাধ্যমে বেশ কয়েকটি স্থানে এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।”