ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

বিয়ের প্রলোভনে ঢাকায় নিয়ে ধর্ষণ, যোগাযোগ বন্ধে লাখাইয়ে অনশন তরুণীর!

**লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:**

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জামালপুর থেকে ঢাকায় এনে এক তরুণীকে ধর্ষণ, পরে যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপন— এমন অভিযোগে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের দুই যুবকের বিরুদ্ধে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অনশন শেষে ভুক্তভোগী তরুণী অবশেষে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের ফুরুক মিয়ার ছেলে মো. ইব্রাহীম মিয়া (২৪) ও তার বড় ভাই রুহুল আমিন (৩৪)-কে। ভুক্তভোগী সুইটি আক্তার (২২) (পিতা– মো. ফিরোজ মিয়া, জামালপুর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এ (পিটিশন মামলা নং– /২০২৫) এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ইব্রাহীম মিয়া তরুণীকে ঢাকায় নিয়ে যান। পরে তোপখানা রোডের হোটেল মৃগয়া-র তৃতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে কাজী বা সাক্ষী ছাড়াই রাতভর ধর্ষণ করেন। পরদিন সকাল পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণের পর তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে ইব্রাহীম ওষুধ এনে আশ্বস্ত করেন।

এরপর ইব্রাহীম তাকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে অবস্থান করেন এবং পরে সব যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপন করেন। ন্যায়বিচারের আশায় তরুণী সুইটি আক্তার লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামে ইব্রাহীমের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করেন।

এ সময় ইব্রাহীমের ভাই রুহুল আমিন ভুক্তভোগীকে মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। একপর্যায়ে তার গলায় থাকা ১২ আনা তিন রতি ওজনের সোনার চেইন ছিনিয়ে নেন বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার সঙ্গে সংযুক্ত প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং চিকিৎসা প্রতিবেদনে ধর্ষণের সত্যতা মিলেছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞ আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী–২০২৫) এর ৯(খ) ধারাসহ প্রাসঙ্গিক ধারা অনুযায়ী মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

বিয়ের প্রলোভনে ঢাকায় নিয়ে ধর্ষণ, যোগাযোগ বন্ধে লাখাইয়ে অনশন তরুণীর!

আপডেট সময় ০৪:৪২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

**লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:**

বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জামালপুর থেকে ঢাকায় এনে এক তরুণীকে ধর্ষণ, পরে যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপন— এমন অভিযোগে হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের দুই যুবকের বিরুদ্ধে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অনশন শেষে ভুক্তভোগী তরুণী অবশেষে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন।

মামলায় আসামি করা হয়েছে লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামের ফুরুক মিয়ার ছেলে মো. ইব্রাহীম মিয়া (২৪) ও তার বড় ভাই রুহুল আমিন (৩৪)-কে। ভুক্তভোগী সুইটি আক্তার (২২) (পিতা– মো. ফিরোজ মিয়া, জামালপুর) ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৫-এ (পিটিশন মামলা নং– /২০২৫) এ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ইব্রাহীম মিয়া তরুণীকে ঢাকায় নিয়ে যান। পরে তোপখানা রোডের হোটেল মৃগয়া-র তৃতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে কাজী বা সাক্ষী ছাড়াই রাতভর ধর্ষণ করেন। পরদিন সকাল পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণের পর তরুণী অসুস্থ হয়ে পড়লে ইব্রাহীম ওষুধ এনে আশ্বস্ত করেন।

এরপর ইব্রাহীম তাকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হবিগঞ্জে অবস্থান করেন এবং পরে সব যোগাযোগ বন্ধ করে আত্মগোপন করেন। ন্যায়বিচারের আশায় তরুণী সুইটি আক্তার লাখাই উপজেলার মোড়াকরি গ্রামে ইব্রাহীমের বাড়িতে গিয়ে অনশন শুরু করেন।

এ সময় ইব্রাহীমের ভাই রুহুল আমিন ভুক্তভোগীকে মারধর ও অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। একপর্যায়ে তার গলায় থাকা ১২ আনা তিন রতি ওজনের সোনার চেইন ছিনিয়ে নেন বলেও এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার সঙ্গে সংযুক্ত প্রাথমিক প্রমাণ হিসেবে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ এবং চিকিৎসা প্রতিবেদনে ধর্ষণের সত্যতা মিলেছে বলে জানা গেছে।

বিজ্ঞ আদালত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী–২০২৫) এর ৯(খ) ধারাসহ প্রাসঙ্গিক ধারা অনুযায়ী মামলাটি আমলে নিয়ে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।