ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পিরানহা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারির পরও হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বুল্লা বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ ও রাক্ষুসে প্রজাতির মাছ পিরানহা। দেশীয় জীববৈচিত্র্য এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই মাছ বিক্রির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, হাটের দিনগুলোতে দেশীয় ও চাষের অন্যান্য মাছের সঙ্গে প্রকাশ্যে এবং আড়ালে পিরানহা মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে রূপচাঁদা বা রূপচাঁদার বিকল্প হিসেবে ভুল তথ্য দিয়ে এই নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। বিষয়টি নিয়ে সচেতন ক্রেতারা আপত্তি জানালেও কার্যকর নজরদারির অভাবে তারা প্রতিকার পাচ্ছেন না।

পরিবেশ ও মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পিরানহা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও রাক্ষুসে প্রজাতির মাছ। এটি দেশীয় বিভিন্ন মাছের পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণী ধ্বংস করে জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ কারণে সরকার পিরানহা মাছের প্রজনন, চাষ, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে।

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, নিষিদ্ধ মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি চোখে পড়ছে না। অনেক সাধারণ মানুষ মাছটি না চিনেই কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন, যা উদ্বেগজনক।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বুল্লা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, নিষিদ্ধ পিরানহা বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে বাজারে নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হবে এবং দেশীয় জীববৈচিত্র্যও সুরক্ষিত থাকবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ পিরানহা, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

আপডেট সময় ১১:৪২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

লাখাই (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারির পরও হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী বুল্লা বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ ও রাক্ষুসে প্রজাতির মাছ পিরানহা। দেশীয় জীববৈচিত্র্য এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই মাছ বিক্রির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।

সরেজমিনে বাজার ঘুরে দেখা যায়, হাটের দিনগুলোতে দেশীয় ও চাষের অন্যান্য মাছের সঙ্গে প্রকাশ্যে এবং আড়ালে পিরানহা মাছ বিক্রি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ ক্রেতাদের কাছে রূপচাঁদা বা রূপচাঁদার বিকল্প হিসেবে ভুল তথ্য দিয়ে এই নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি করছেন কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। বিষয়টি নিয়ে সচেতন ক্রেতারা আপত্তি জানালেও কার্যকর নজরদারির অভাবে তারা প্রতিকার পাচ্ছেন না।

পরিবেশ ও মৎস্য বিশেষজ্ঞদের মতে, পিরানহা অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ও রাক্ষুসে প্রজাতির মাছ। এটি দেশীয় বিভিন্ন মাছের পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণী ধ্বংস করে জলজ জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ কারণে সরকার পিরানহা মাছের প্রজনন, চাষ, পরিবহন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ করেছে।

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা একাধিক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, নিষিদ্ধ মাছ প্রকাশ্যে বিক্রি হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি চোখে পড়ছে না। অনেক সাধারণ মানুষ মাছটি না চিনেই কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন, যা উদ্বেগজনক।

স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বুল্লা বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, নিষিদ্ধ পিরানহা বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগের নিয়মিত অভিযান পরিচালনার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করা গেলে বাজারে নিষিদ্ধ মাছ বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হবে এবং দেশীয় জীববৈচিত্র্যও সুরক্ষিত থাকবে।