ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo দুর্গাপূজায় সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা, দায়িত্বে এসআরবির ৬ হাজারের বেশি সদস্য Logo নাসিরনগরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দুর্গাপূজার উপহার বিতরণ Logo হাইমচরে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: ৩০ জেলের কারাদণ্ড Logo সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ও স্বজনদের ৮৩ ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ Logo যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা জোরদার, বিশেষ প্রটোকলের ব্যবস্থা Logo মাধবপুরে দুর্গাপূজার রোডম্যাপে কয়েকটি এলাকা বাদ, ক্ষোভ ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন Logo জয়দেবপুর রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে সশস্ত্র হামলা, আহত ২ পুলিশ সদস্য Logo লাখাইয়ে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ উদযাপনে মতবিনিময় সভা Logo হবিগঞ্জের অলিপুরে ট্রাকের চাপায় লাখাইয়ের জালাল মিয়ার মৃত্যু Logo লাখাইয়ের ধর্মপুরে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক উঠান বৈঠক ও পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে

‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবিত আইনের আওতায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্যমান র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ বা অসন্তোষ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের অভিযোগের পাশাপাশি ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ও নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র‍্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান র‍্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মধ্য দিয়ে র‍্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার আইনি প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল। প্রস্তাবিত আইনের অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত আইন ও পরবর্তী বিধিমালার মাধ্যমে কার্যকর হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপূজায় সারা দেশে বিশেষ নিরাপত্তা, দায়িত্বে এসআরবির ৬ হাজারের বেশি সদস্য

error:

চূড়ান্ত অনুমোদন পেল নতুন বাহিনী এসআরবি, থাকবে পুলিশের অধীনে

আপডেট সময় ১১:০৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। প্রস্তাবিত আইনের আওতায় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব) বিলুপ্ত করে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ১৭তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত আইনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বিদ্যমান র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

নাগরিকদের অভিযোগ এবং ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ বা অসন্তোষ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুপক্ষীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে নাগরিকদের অভিযোগের পাশাপাশি ইউনিটের সদস্যদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ও নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় নিষ্পত্তির ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানিয়েছে, র‍্যাব-সংক্রান্ত জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, রেকর্ড ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সম্পদ এসআরবির কাছে স্থানান্তরের বিধান রাখা হয়েছে।

পাশাপাশি নতুন বিধিমালা প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যমান র‍্যাব-সংক্রান্ত বিভাগীয় কার্যধারার বিধিমালা প্রয়োজনীয় অভিযোজনসহ বহাল রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিসভার অনুমোদনের মধ্য দিয়ে র‍্যাবের পরিবর্তে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন প্রতিষ্ঠার আইনি প্রক্রিয়া আরও এগিয়ে গেল। প্রস্তাবিত আইনের অন্যান্য বিষয় চূড়ান্ত আইন ও পরবর্তী বিধিমালার মাধ্যমে কার্যকর হবে।