ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ক্ষতিপূরণে দীর্ঘসূত্রতার অবসান, বাহুবলে ২৪ ভূমিমালিক পেলেন ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা Logo মাধবপুরের ছাতিয়ানে ভোক্তা অধিকার আইনে অভিযান, ৪ ব্যবসায়ীকে ১৪ হাজার টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩ Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেনে ভূমি অধিগ্রহণে ন্যায্যমূল্যের দাবিতে মানববন্ধন Logo লাখাইয়ের সিংহ গ্রামে ১ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo মাধবপুরে এলপিজি সিলিন্ডারের তীব্র সংকট, ১,৫৮৫ টাকার গ্যাস বিক্রি হচ্ছে ২,৫০০ টাকায় Logo হাইমচরে চুরি মামলার সন্দেহভাজন মজিবর রহমান গ্রেপ্তার Logo অপরাধ দমনে জনতা-পুলিশ এক কাতারে, মোড়াকরিতে ব্যতিক্রমী ‘উঠান কর্মশালা Logo জনগণের আস্থা ও প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে সরকার: এমপি সৈয়দ ফয়সল Logo বুল্লা ইউনিয়নে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে কুলসুমা আক্তারের প্রার্থিতা ঘোষণা

ক্ষতিপূরণে দীর্ঘসূত্রতার অবসান, বাহুবলে ২৪ ভূমিমালিক পেলেন ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণ করা জমির ২৪ জন মালিককে মোট ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় থাকা ভূমিমালিকদের হাতে রোববার (৪ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে এসব চেক তুলে দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরে উপজেলার মিরপুর এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভূমিমালিকদের হাতে চেক তুলে দেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি ‘সাপোর্ট টু ঢাকা (কাচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ ও উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাব্বির আহমেদ, বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাঈদ মোহাম্মদসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় জানান, ফোরলেন প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ২৪ জন ভূমিমালিককে মোট ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণের জন্য মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। অধিগ্রহণের পর ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকদের আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল।

তবে ক্ষতিপূরণ প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। জমি অধিগ্রহণের পরও যথাসময়ে অর্থ না পাওয়ায় অনেকেই ভোগান্তির কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ২৪ জনের মধ্যে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ যোগাযোগব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আইনানুগ পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা জরুরি বলে তারা মনে করেন।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অধিগ্রহণকৃত ভূমির মালিকদের আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে চলমান রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য
Avatar photo

Sekh Sadi

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষতিপূরণে দীর্ঘসূত্রতার অবসান, বাহুবলে ২৪ ভূমিমালিক পেলেন ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা

error:

ক্ষতিপূরণে দীর্ঘসূত্রতার অবসান, বাহুবলে ২৪ ভূমিমালিক পেলেন ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০৫:৫০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বাহুবল (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের বাহুবলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণ করা জমির ২৪ জন মালিককে মোট ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ক্ষতিপূরণের অপেক্ষায় থাকা ভূমিমালিকদের হাতে রোববার (৪ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে এসব চেক তুলে দেওয়া হয়।

রোববার দুপুরে উপজেলার মিরপুর এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভূমিমালিকদের হাতে চেক তুলে দেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানটি ‘সাপোর্ট টু ঢাকা (কাচপুর)-সিলেট-তামাবিল মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ ও উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণ’ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক ড. জি. এম. সরফরাজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাব্বির আহমেদ, বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায়, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাঈদ মোহাম্মদসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল রায় জানান, ফোরলেন প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ২৪ জন ভূমিমালিককে মোট ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ এবং উভয় পাশে পৃথক সার্ভিস লেন নির্মাণের জন্য মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে। অধিগ্রহণের পর ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকদের আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল।

তবে ক্ষতিপূরণ প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়। জমি অধিগ্রহণের পরও যথাসময়ে অর্থ না পাওয়ায় অনেকেই ভোগান্তির কথা প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেন।

পরবর্তীতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমিমালিকদের ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদানের বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ২৪ জনের মধ্যে ১০ কোটি ১৫ লাখ টাকার চেক বিতরণ করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ফোরলেনে উন্নীতকরণ যোগাযোগব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আইনানুগ পাওনা দ্রুত পরিশোধ করা জরুরি বলে তারা মনে করেন।

প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, অধিগ্রহণকৃত ভূমির মালিকদের আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে চলমান রয়েছে।