ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo চুনারুঘাটে লজ্জাবতী বানর উদ্ধার, কালেঙ্গা বনে অবমুক্ত Logo ভিকটিম সাপোর্ট এন্ড হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের মাধবপুর উপজেলা শাখার নতুন কমিটি গঠন Logo গাঁজা সেবনে বিশৃঙ্খলা: দু’জনের জেল-জরিমানা Logo লাখাইয়ে তোলপাড়: কলেজের জমি কিনলেন অধ্যক্ষ ও কর্মচারীরা Logo মাধবপুরে র‌্যাব-৯ এর অভিযানে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার Logo ধর্মঘর ও কালিবাজারে অতিরিক্ত হাসিলের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে ক্রেতারা Logo মাধবপুরে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮ কেজি গাঁজাসহ যুবক গ্রেফতার Logo আন্দিউড়া ইউনিয়নে মোত্তাকিম চৌধুরীর সমর্থনে গ্রামবাসীর বিশাল উঠান বৈঠক Logo মাধবপুরে জায়গা সংক্রান্ত বিরোধে সংঘর্ষ, শিক্ষকসহ আহত ৫ Logo অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে পরিবর্তনের ইঙ্গিত

বাবার কটু কথার প্রতিশোধ নিতেই পুত্রকে খুন: ৩ বছর পর ঘাতক আটক

নিজস্ব প্রতিনিধি

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালদাড়িয়া গ্রামে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মুহিবুর রহমান (২৫) হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বাবার ওপর অপমানের প্রতিশোধ নিতে পুত্রকে টিউবওয়েলের রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ ডোবায় ফেলে দিয়েছিল ঘাতক ফজল মিয়া। দীর্ঘ ৩ বছর পালিয়ে থাকার পর অবশেষে পিবিআই-এর জালে ধরা পড়েছে অভিযুক্ত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ জুন রাতে গান শোনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন আতর আলীর ছেলে মুহিবুর রহমান। পরদিন ২৭ জুন জনৈক চান মিয়ার ডোবা থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা। দীর্ঘ সময় থানা পুলিশ রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।

পিবিআই হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ হায়াতুন-নবীর তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই পিযুষ কান্তি দেবনাথ ও এসআই আব্দুল আহাদ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক ফজল মিয়াকে (২৭) শনাক্ত করেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আব্দুল্লাহপুর থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পরদিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ফজল।

স্বীকারোক্তিতে ফজল জানায়, তার বাবার মৃত্যুর পর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুহিবুরের বাবা আতর আলী তাকে সবার সামনে কটু কথা বলে অপমান করেন। পরবর্তীতে একটি গ্রাম্য সালিশে আতর আলীর হস্তক্ষেপে ফজলকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রতিবেশীর পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। এই দুই অপমানের প্রতিশোধ নিতেই মুহিবুরকে একা পেয়ে টিউবওয়েলের রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে ফজল। পিবিআই-এর এই সাফল্যে দীর্ঘদিনের একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের বিচার পাওয়ার পথ সুগম হলো।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

চুনারুঘাটে লজ্জাবতী বানর উদ্ধার, কালেঙ্গা বনে অবমুক্ত

error:

বাবার কটু কথার প্রতিশোধ নিতেই পুত্রকে খুন: ৩ বছর পর ঘাতক আটক

আপডেট সময় ০৭:১৩:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালদাড়িয়া গ্রামে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর মুহিবুর রহমান (২৫) হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। বাবার ওপর অপমানের প্রতিশোধ নিতে পুত্রকে টিউবওয়েলের রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ ডোবায় ফেলে দিয়েছিল ঘাতক ফজল মিয়া। দীর্ঘ ৩ বছর পালিয়ে থাকার পর অবশেষে পিবিআই-এর জালে ধরা পড়েছে অভিযুক্ত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২৩ সালের ২৬ জুন রাতে গান শোনার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন আতর আলীর ছেলে মুহিবুর রহমান। পরদিন ২৭ জুন জনৈক চান মিয়ার ডোবা থেকে তার ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন নিহতের বাবা। দীর্ঘ সময় থানা পুলিশ রহস্য উদঘাটন করতে না পারায় তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।

পিবিআই হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার মোঃ হায়াতুন-নবীর তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই পিযুষ কান্তি দেবনাথ ও এসআই আব্দুল আহাদ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘাতক ফজল মিয়াকে (২৭) শনাক্ত করেন। গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আব্দুল্লাহপুর থেকে তাকে আটক করা হয়। আটকের পরদিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় ফজল।

স্বীকারোক্তিতে ফজল জানায়, তার বাবার মৃত্যুর পর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুহিবুরের বাবা আতর আলী তাকে সবার সামনে কটু কথা বলে অপমান করেন। পরবর্তীতে একটি গ্রাম্য সালিশে আতর আলীর হস্তক্ষেপে ফজলকে ৩ হাজার টাকা জরিমানা ও প্রতিবেশীর পা ধরে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হয়। এই দুই অপমানের প্রতিশোধ নিতেই মুহিবুরকে একা পেয়ে টিউবওয়েলের রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে ফজল। পিবিআই-এর এই সাফল্যে দীর্ঘদিনের একটি ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের বিচার পাওয়ার পথ সুগম হলো।