ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ধর্মঘর ও কালিবাজারে অতিরিক্ত হাসিলের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে ক্রেতারা

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ধর্মঘর বাজার ও কালিবাজারে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট পালন করছেন। ফলে বাজার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জানা যায়, মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রভাবে গ্রামবাংলার সাপ্তাহিক হাটবাজারগুলো আগের মতো নিয়মিত বসে না। তবুও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু হাট এখনো টিকে আছে। এসব হাটে গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত শাকসবজি, মাছসহ নানা পণ্য বিক্রি করেন এবং ক্রেতারাও সহজে তাজা পণ্য ক্রয়ের সুযোগ পান।

ধর্মঘর ইউনিয়নের প্রাচীন দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার—ধর্মঘর বাজার ও কালিবাজার—প্রতি সপ্তাহে দুই দিন হাট বসে। কিন্তু ইজারাদারদের অতিরিক্ত হাসিল বা কর আদায়ের কারণে ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটে নেমেছেন।

এর ফলে হাট বসা বন্ধ হয়ে গেছে এবং বাজার কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে করে স্থানীয় ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ।

স্থানীয়দের দাবি, অতিরিক্ত হাসিল বন্ধ করে বাজারগুলো ইজারামুক্ত করা হোক। তাদের মতে, এসব হাটবাজার শুধু বাণিজ্যের কেন্দ্র নয়, বরং আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ধারক ও বাহক।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ে ২০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

error:

ধর্মঘর ও কালিবাজারে অতিরিক্ত হাসিলের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট, চরম ভোগান্তিতে ক্রেতারা

আপডেট সময় ০৮:৪১:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ধর্মঘর ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী ধর্মঘর বাজার ও কালিবাজারে অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট পালন করছেন। ফলে বাজার কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে এবং সাধারণ ক্রেতারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।

জানা যায়, মুক্তবাজার অর্থনীতির প্রভাবে গ্রামবাংলার সাপ্তাহিক হাটবাজারগুলো আগের মতো নিয়মিত বসে না। তবুও ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছু হাট এখনো টিকে আছে। এসব হাটে গ্রামের কৃষকরা তাদের উৎপাদিত শাকসবজি, মাছসহ নানা পণ্য বিক্রি করেন এবং ক্রেতারাও সহজে তাজা পণ্য ক্রয়ের সুযোগ পান।

ধর্মঘর ইউনিয়নের প্রাচীন দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার—ধর্মঘর বাজার ও কালিবাজার—প্রতি সপ্তাহে দুই দিন হাট বসে। কিন্তু ইজারাদারদের অতিরিক্ত হাসিল বা কর আদায়ের কারণে ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটে নেমেছেন।

এর ফলে হাট বসা বন্ধ হয়ে গেছে এবং বাজার কার্যক্রম পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে। এতে করে স্থানীয় ক্রেতা ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে কয়েকগুণ।

স্থানীয়দের দাবি, অতিরিক্ত হাসিল বন্ধ করে বাজারগুলো ইজারামুক্ত করা হোক। তাদের মতে, এসব হাটবাজার শুধু বাণিজ্যের কেন্দ্র নয়, বরং আবহমান বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ ধারক ও বাহক।