ঢাকা ১২:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা, ভূমিধসের শঙ্কা ৫ জেলায় Logo আইজিপির সঙ্গে ইইউ রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ, পুলিশি সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা Logo প্রধানমন্ত্রীর নিউইয়র্ক সফর নিয়ে আগামীকাল সংবাদ সম্মেলন Logo কৃষি কর্মকর্তার পরিদর্শনে প্রশংসিত লাখাইয়ের কৃষকদের কচুরিপানা অপসারণ যন্ত্র Logo হাইমচরে ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেফতার Logo লাখাইয়ে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সাড়ে ১৮ লাখ টাকা পাচ্ছেন সিংহগ্রামের ৭৩৩ প্রান্তিক কৃষক Logo লাখাইয়ে পোনা নিধন বন্ধে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জেলা প্রশাসকের Logo নাসিরনগরে এক মাসে ১০ প্রাণহানি, উদ্বেগ-আতঙ্কে এলাকাবাসী Logo মাধবপুরে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের অভিযোগে সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা Logo মাধবপুরে পুকুরে গোসলে নেমে মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু

হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর প্রধান কারিগর খায়রুল হক: কায়সার কামাল

বাংলার খবর ডেস্ক সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গণতন্ত্র ধ্বংস এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর প্রধান কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “খায়রুল হকের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে নতুন কোনো খায়রুল হক যেন বিচার বিভাগে জন্ম না নেয়।”

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।

দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শপথ নেন খায়রুল হক। পরের বছর বয়স সীমা অতিক্রম করায় ১৭ মে অবসরে যান। প্রধান বিচারপতি থাকাকালেই তিনি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে বিতর্কের জন্ম দেন, যা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম অভিযোগ করেছে, খায়রুল হক বিচার বিভাগের অপব্যবহার করে একতরফাভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন করেছেন। তারা অবিলম্বে তার বিচার দাবি করেছে।

খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এরইমধ্যে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে গত ১৮ আগস্ট ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ইমরুল হাসান সংবিধানের রায় বিকৃতি ও জালিয়াতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদ শেষে খায়রুল হক আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু গত বছরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পর ১৩ আগস্ট পদত্যাগ করেন এবং এরপর থেকেই জনসম্মুখ থেকে আড়ালে চলে যান।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, “যারা দেশের বিচারব্যবস্থাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে, তাদের কঠোর বিচারের আওতায় আনা জরুরি। জনগণ এমন বিচার চায়, যেখানে আইন ও ন্যায়বিচার সবার উপরে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারী বৃষ্টির সতর্কবার্তা, ভূমিধসের শঙ্কা ৫ জেলায়

error:

হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর প্রধান কারিগর খায়রুল হক: কায়সার কামাল

আপডেট সময় ০১:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গণতন্ত্র ধ্বংস এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর প্রধান কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “খায়রুল হকের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে নতুন কোনো খায়রুল হক যেন বিচার বিভাগে জন্ম না নেয়।”

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।

দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শপথ নেন খায়রুল হক। পরের বছর বয়স সীমা অতিক্রম করায় ১৭ মে অবসরে যান। প্রধান বিচারপতি থাকাকালেই তিনি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে বিতর্কের জন্ম দেন, যা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম অভিযোগ করেছে, খায়রুল হক বিচার বিভাগের অপব্যবহার করে একতরফাভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন করেছেন। তারা অবিলম্বে তার বিচার দাবি করেছে।

খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এরইমধ্যে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে গত ১৮ আগস্ট ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ইমরুল হাসান সংবিধানের রায় বিকৃতি ও জালিয়াতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদ শেষে খায়রুল হক আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু গত বছরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পর ১৩ আগস্ট পদত্যাগ করেন এবং এরপর থেকেই জনসম্মুখ থেকে আড়ালে চলে যান।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, “যারা দেশের বিচারব্যবস্থাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে, তাদের কঠোর বিচারের আওতায় আনা জরুরি। জনগণ এমন বিচার চায়, যেখানে আইন ও ন্যায়বিচার সবার উপরে।”