ঢাকা ০৭:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই Logo কেউ যেন নতুনভাবে উস্কানিতে লিপ্ত না হই, শিবিরকে অনুরোধ ছাত্রদল সভাপতির Logo লাখাইয়ে বিধবার জমি দখলে বাধা, আদালতের রায় কার্যকর চেয়ে থানায় অভিযোগ Logo শাহজীবাজারে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ: হবিগঞ্জে শুক্রবার টানা ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বন্ধ Logo সাইফ, তামিম, সৌম্যর দ্রুত বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ Logo লাখাইয়ে কমিউনিটি ক্লিনিকে অচলাবস্থা, সেবা না পেয়ে দুর্ভোগে এলাকাবাসী Logo মাধবপুরে চিকিৎসক সংকটে দুই স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মিডওয়াইফ দিয়ে চলছে সেবা Logo হবিগঞ্জে ডিবির অভিযানে ১২৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার, নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo হারিয়ে যাচ্ছে দলবেঁধে ধান কাটার উৎসব Logo হবিগঞ্জে বিজিবির অভিযানে ২ কোটি টাকার অবৈধ ভারতীয় ঔষধ ও ফুচকা জব্দ

হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর প্রধান কারিগর খায়রুল হক: কায়সার কামাল

বাংলার খবর ডেস্ক সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গণতন্ত্র ধ্বংস এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর প্রধান কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “খায়রুল হকের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে নতুন কোনো খায়রুল হক যেন বিচার বিভাগে জন্ম না নেয়।”

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।

দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শপথ নেন খায়রুল হক। পরের বছর বয়স সীমা অতিক্রম করায় ১৭ মে অবসরে যান। প্রধান বিচারপতি থাকাকালেই তিনি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে বিতর্কের জন্ম দেন, যা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম অভিযোগ করেছে, খায়রুল হক বিচার বিভাগের অপব্যবহার করে একতরফাভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন করেছেন। তারা অবিলম্বে তার বিচার দাবি করেছে।

খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এরইমধ্যে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে গত ১৮ আগস্ট ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ইমরুল হাসান সংবিধানের রায় বিকৃতি ও জালিয়াতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদ শেষে খায়রুল হক আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু গত বছরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পর ১৩ আগস্ট পদত্যাগ করেন এবং এরপর থেকেই জনসম্মুখ থেকে আড়ালে চলে যান।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, “যারা দেশের বিচারব্যবস্থাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে, তাদের কঠোর বিচারের আওতায় আনা জরুরি। জনগণ এমন বিচার চায়, যেখানে আইন ও ন্যায়বিচার সবার উপরে।”

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে রেলে কাটা দ্বিখণ্ডিত লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই

error:

হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর প্রধান কারিগর খায়রুল হক: কায়সার কামাল

আপডেট সময় ০১:৩৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে গণতন্ত্র ধ্বংস এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট বানানোর প্রধান কারিগর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “খায়রুল হকের এমন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে নতুন কোনো খায়রুল হক যেন বিচার বিভাগে জন্ম না নেয়।”

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির নিজ বাসা থেকে ডিবি পুলিশের একটি দল সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।

দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর শপথ নেন খায়রুল হক। পরের বছর বয়স সীমা অতিক্রম করায় ১৭ মে অবসরে যান। প্রধান বিচারপতি থাকাকালেই তিনি সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে বিতর্কের জন্ম দেন, যা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার বড় কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম অভিযোগ করেছে, খায়রুল হক বিচার বিভাগের অপব্যবহার করে একতরফাভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধন করেছেন। তারা অবিলম্বে তার বিচার দাবি করেছে।

খায়রুল হকের বিরুদ্ধে এরইমধ্যে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে গত ১৮ আগস্ট ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য ইমরুল হাসান সংবিধানের রায় বিকৃতি ও জালিয়াতির অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের মেয়াদ শেষে খায়রুল হক আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু গত বছরের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সরকারের পতনের পর ১৩ আগস্ট পদত্যাগ করেন এবং এরপর থেকেই জনসম্মুখ থেকে আড়ালে চলে যান।

এ বিষয়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, “যারা দেশের বিচারব্যবস্থাকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করে, তাদের কঠোর বিচারের আওতায় আনা জরুরি। জনগণ এমন বিচার চায়, যেখানে আইন ও ন্যায়বিচার সবার উপরে।”