
বাংলার খবর ডেস্ক:
ভোটার তালিকা সংশোধনে বড় পরিবর্তন এনেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নতুন জারি করা ‘ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এ বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন এখন চাইলে বছরের যেকোনো সময় ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও প্রকাশ করতে পারবে—তফশিল ঘোষণার আগেই।
বৃহস্পতিবার রাতে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগ থেকে এ অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। এতে বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর কিছু ধারা সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় এবং সংসদ ভেঙে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই আইন অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং এর নাম হবে ‘ভোটার তালিকা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’।
নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী:
– ২০০৯ সালের আইন অনুযায়ী ১ জানুয়ারিই ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র সময় ছিল।
– এখন থেকে কমিশনের ঘোষিত যেকোনো তারিখে ভোটার হালনাগাদ করা যাবে। কম্পিউটার ডাটাবেজে সংরক্ষিত তালিকা প্রতিবছর ২ জানুয়ারি থেকে ২ মার্চের মধ্যে হালনাগাদ করা যাবে বা তফশিল ঘোষণার পূর্বে কমিশনের নির্ধারিত সময়েও তা সম্ভব হবে। ১৮ বছর পূর্ণকারী নাগরিকদের নাম তালিকায় যুক্ত করা, মৃত বা অযোগ্যদের নাম কাটা এবং যারা স্থানান্তরিত হয়েছেন, তাদের নতুন তালিকায় যুক্ত করার নির্দেশনা থাকছে। হালনাগাদের সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও ভোটার তালিকার বৈধতা বাতিল হবে না।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তনের ফলে বছরের যেকোনো সময় নতুন ভোটার তালিকাভুক্তির সুযোগ তৈরি হলো, যা নির্বাচন ব্যবস্থাকে আরও নমনীয় এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 























