ঢাকা ০২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে যত্রতত্র ময়লার স্তূপ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি Logo মাধবপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের বাড়িতে দুর্ধর্ষ চুরি Logo মাধবপুরে অবৈধ মাটি-বালু উত্তোলনবিরোধী অভিযান, ড্রেজার-পাইপ ধ্বংস Logo ঐতিহ্যের টানে মুখর লাখাইয়ের বুল্লা বাজারের শুটকি-শীদলের হাট Logo মশাদিয়ায় খালের ওপর কালভার্ট না থাকায় দুর্ভোগে ১৮ পরিবারসহ শত শত মানুষ Logo জুমার গুরুত্বপূর্ণ আমল Logo যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ১০০ শতাংশ শুল্কের ঝুঁকিতে ভারত Logo পথ বন্ধ করে বাউন্ডারি নির্মাণ, ওসি-চেয়ারম্যানকে ইউএনওর চিঠি Logo মাধবপুরে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে কম্প্রেসার বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২ Logo মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী সোহেল সিনেমা এখন কালের সাক্ষী

নিরাপদ আবাসনের দাবিতে ঢামেক শিক্ষার্থীদের কঠোর অবস্থান: ওরিয়েন্টেশন বর্জনের হুঁশিয়ারি

ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ও আবাসন ব্যবস্থার সংকট ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সকল প্রকার ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ৬ জুন (বৃহস্পতিবার) প্রকাশিত এক লিখিত বিবৃতিতে কে-৮২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে ১৭ জুন এ অনুষ্ঠিতব্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।

বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ডা. ফজলে রাব্বী ছাত্রাবাস এবং ডা. আলিম চৌধুরী ছাত্রীবাস দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তারা জানান, ভবনগুলোর নিরাপত্তাহীনতা এতটাই চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তারা আরও উল্লেখ করেন, পুরোনো একাডেমিক ভবন, একাধিক হল ও ক্যাম্পাসের অবকাঠামো অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসনের জন্য দ্রুত সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজের সকল ব্যাচের ক্লাস এবং পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচির সাথে আমরা একাত্মতা পোষণ করি। ” পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে ১৭ জুন থেকে অনুষ্ঠিতব্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ না করারও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির প্রেক্ষিতে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিরও ঘোষণা দিয়েছেন।
কে-৮২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে সর্বশেষে বলা হয়, “আমাদের এই পদক্ষেপ অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও, এটি একটি নিরুপায় প্রতিবাদ-যার মাধ্যমে আমরা চাই কর্তৃপক্ষ আমাদের উদ্বেগকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করুক এবং দ্রুত কার্যকর সমাধান গ্রহণ করুক।”

এদিকে, এই ঘোষণার প্রেক্ষিতে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, তাদের দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে আমলে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে যত্রতত্র ময়লার স্তূপ, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি

error:

নিরাপদ আবাসনের দাবিতে ঢামেক শিক্ষার্থীদের কঠোর অবস্থান: ওরিয়েন্টেশন বর্জনের হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ০৮:৫৩:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাস ও আবাসন ব্যবস্থার সংকট ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সকল প্রকার ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ৬ জুন (বৃহস্পতিবার) প্রকাশিত এক লিখিত বিবৃতিতে কে-৮২ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা এসব সমস্যার দ্রুত সমাধান না হলে ১৭ জুন এ অনুষ্ঠিতব্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।

বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ডা. ফজলে রাব্বী ছাত্রাবাস এবং ডা. আলিম চৌধুরী ছাত্রীবাস দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। তারা জানান, ভবনগুলোর নিরাপত্তাহীনতা এতটাই চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তারা আরও উল্লেখ করেন, পুরোনো একাডেমিক ভবন, একাধিক হল ও ক্যাম্পাসের অবকাঠামো অনেকটাই জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপদ আবাসনের জন্য দ্রুত সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, “ঢাকা মেডিকেল কলেজের সকল ব্যাচের ক্লাস এবং পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচির সাথে আমরা একাত্মতা পোষণ করি। ” পরিস্থিতির উন্নয়ন না হলে ১৭ জুন থেকে অনুষ্ঠিতব্য ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ না করারও ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

শিক্ষার্থীরা তাদের দাবির প্রেক্ষিতে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচিরও ঘোষণা দিয়েছেন।
কে-৮২ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে সর্বশেষে বলা হয়, “আমাদের এই পদক্ষেপ অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও, এটি একটি নিরুপায় প্রতিবাদ-যার মাধ্যমে আমরা চাই কর্তৃপক্ষ আমাদের উদ্বেগকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করুক এবং দ্রুত কার্যকর সমাধান গ্রহণ করুক।”

এদিকে, এই ঘোষণার প্রেক্ষিতে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। শিক্ষার্থীরা আশা করছেন, তাদের দাবিগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব সহকারে আমলে নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।