ঢাকা ১২:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ডিএনসিসি বনানী সুপার মার্কেট নির্বাচন: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন লাখাইয়ের মহসিন আলম Logo গুরুতর অসুস্থ মাধবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সামসুল ইসলাম কামাল, সিসিইউতে চিকিৎসাধীন Logo টিকটকে পরিচয়, নতুন জীবনের আশায় ঘরছাড়া কুমিল্লার চার ছাত্রী Logo লাখাইয়ে ঔষধ প্রশাসনের অভিযান, অধিকাংশ ফার্মেসি বন্ধ Logo নাসিরনগর গোকর্ণ ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের শুভ উদ্ভোধন Logo লাখাইয়ে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় অকালমৃত্যু এসএসসি পরীক্ষার্থীর, আশঙ্কাজনক বন্ধু: Logo নাসিরনগরে দিনে কুকুর, রাতে শিয়ালের উপদ্রব; অতিষ্ঠ জনজীবন Logo লাখাইয়ে সড়কে হারভেস্টার রেখে প্রতিবন্ধকতা, ওসির ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস Logo জামালপুরে ৫০০ টাকার বাজিতে জীবন্ত শালিক খাওয়ার অভিযোগ, অটোচালক আটক Logo নাসিরনগরে সেচ প্রকল্পের দুই ট্রান্সফরমার চুরি, বিপাকে কৃষকরা

ফি দিয়েও ভিসা হয়নি, দক্ষিণ কোরিয়ার আদালতে ২৪৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

দক্ষিণ কোরিয়ার সিংইয়ংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে টিউশন ফি পরিশোধের পরও ভিসা না পাওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন ২৪৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। জমা দেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবিতে দেশটির রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছেন তারা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দেউগু রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে বাংলাদেশি আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ও স্থানীয় কোরিয়ান আইনজীবীর সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এসব অভিযোগ দাখিল করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টিউশন ফি পরিশোধের পর ভিসা না পাওয়ায় প্রথমে ২২৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সমস্যায় পড়েন। এর মধ্যে তারা উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও ফি পরিশোধ করলেও ভিসা না পাওয়ায় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেউলিয়া হওয়ার প্রক্রিয়ায় গেলে শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
গত ২৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দেউলিয়া কার্যক্রমের পরিবর্তে রিহ্যাবিলিটেশন কার্যক্রমের জন্য আদালতে আবেদন করে। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করার পর প্রতিষ্ঠানটি রিহ্যাবিলিটেশন প্রক্রিয়ার অধীনে চলে যায়।
এরপর শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিয়োজিত কোরিয়ান আইনজীবীর পরামর্শে রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে অর্থ ফেরতের দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে গত ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম। পরে কোরিয়ান আইনজীবীর সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা হয়।
শুক্রবার প্রথম ২২৫ শিক্ষার্থীর পাশাপাশি আরও ১৮ শিক্ষার্থীর পক্ষেও অভিযোগ দাখিল করা হয়। এর ফলে মোট ২৪৩ শিক্ষার্থীর পাওনা অর্থ ফেরতের দাবি আদালতের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
উচ্চশিক্ষার আশায় টিউশন ফি জমা দিয়ে ভিসার অপেক্ষায় থাকা এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে অনেকেই এখন অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের পাওনা অর্থ আদায়ের চেষ্টা চলছে।
অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ আদালতে শিক্ষার্থীদের ক্লেইম দাখিল করা হয়েছে। এখন আদালতের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চলবে। আইন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বৈধ পাওনা আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির কাছে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অন্যান্য পাওনাদারেরও অর্থ পাওনা রয়েছে। ফলে আদালত আইন অনুযায়ী সব পাওনাদারের দাবি বিবেচনা করবে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অর্থ ফেরত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিএনসিসি বনানী সুপার মার্কেট নির্বাচন: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে লড়ছেন লাখাইয়ের মহসিন আলম

error:

ফি দিয়েও ভিসা হয়নি, দক্ষিণ কোরিয়ার আদালতে ২৪৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী

আপডেট সময় ১২:৫১:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

দক্ষিণ কোরিয়ার সিংইয়ংজু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে টিউশন ফি পরিশোধের পরও ভিসা না পাওয়ায় আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন ২৪৩ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। জমা দেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার দাবিতে দেশটির রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করেছেন তারা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দেউগু রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে বাংলাদেশি আইনজীবী অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম ও স্থানীয় কোরিয়ান আইনজীবীর সমন্বয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এসব অভিযোগ দাখিল করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, টিউশন ফি পরিশোধের পর ভিসা না পাওয়ায় প্রথমে ২২৫ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সমস্যায় পড়েন। এর মধ্যে তারা উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি ও ফি পরিশোধ করলেও ভিসা না পাওয়ায় অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়টি দেউলিয়া হওয়ার প্রক্রিয়ায় গেলে শিক্ষার্থীদের জমা দেওয়া অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
গত ২৫ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দেউলিয়া কার্যক্রমের পরিবর্তে রিহ্যাবিলিটেশন কার্যক্রমের জন্য আদালতে আবেদন করে। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করার পর প্রতিষ্ঠানটি রিহ্যাবিলিটেশন প্রক্রিয়ার অধীনে চলে যায়।
এরপর শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিয়োজিত কোরিয়ান আইনজীবীর পরামর্শে রিহ্যাবিলিটেশন কোর্টে অর্থ ফেরতের দাবি জানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে গত ২৭ আগস্ট বাংলাদেশ দূতাবাসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম। পরে কোরিয়ান আইনজীবীর সঙ্গে সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করা হয়।
শুক্রবার প্রথম ২২৫ শিক্ষার্থীর পাশাপাশি আরও ১৮ শিক্ষার্থীর পক্ষেও অভিযোগ দাখিল করা হয়। এর ফলে মোট ২৪৩ শিক্ষার্থীর পাওনা অর্থ ফেরতের দাবি আদালতের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
উচ্চশিক্ষার আশায় টিউশন ফি জমা দিয়ে ভিসার অপেক্ষায় থাকা এসব শিক্ষার্থীর মধ্যে অনেকেই এখন অর্থ ফেরত পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের পাওনা অর্থ আদায়ের চেষ্টা চলছে।
অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যথাযথ আদালতে শিক্ষার্থীদের ক্লেইম দাখিল করা হয়েছে। এখন আদালতের নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী কার্যক্রম চলবে। আইন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের বৈধ পাওনা আদায়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়টির কাছে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ অন্যান্য পাওনাদারেরও অর্থ পাওনা রয়েছে। ফলে আদালত আইন অনুযায়ী সব পাওনাদারের দাবি বিবেচনা করবে। এ কারণে শিক্ষার্থীদের অর্থ ফেরত পেতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।