ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে দেশে ফেরার নির্দেশ Logo লাখাইয়ে চুরির অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার, আদালতের মাধ্যমে কারাগারে Logo হবিগঞ্জে বেগুনাই প্রাইমারি স্কুলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা Logo লাখাইয়ে পাগলা শিয়ালের হামলায় নারী-শিশুসহ ১২ জন আহত, আক্রান্ত গবাদিপশুও Logo ওপারে পাকা সড়ক, মাঝে নদী: একটি সেতুর জন্য বিভক্ত লাখাইয়ের দুই প্রান্ত Logo সাজেকের উজোবাজারে অবরোধকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিবিনিময়, আহত অন্তত ৫ Logo হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০৩২ Logo বিশ্বের ঋণ ৩৬৫ লাখ কোটি ডলার, শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র; বাংলাদেশ কোথায়? Logo সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ, কৃষি মন্ত্রণালয়ে জমা প্রায় ৫০০ আবেদন Logo মাধবপুরে মোত্তাকিম চৌধুরীর উদ্যোগে অসহায় পরিবার পেল ২২৮টি টিউবওয়েল

বাহুবল থেকে মিরপুরে সিএনজি ভাড়া ৩০ টাকা, নেপথ্যে তীব্র গ্যাস সংকট

মোঃ সুমন মিয়া, বাহুবল প্রতিনিধি (হবিগঞ্জ):

হবিগঞ্জের বাহুবল থেকে মিরপুর রুটে চলাচলকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত ১০ টাকা যোগ করে ৩০ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বাড়তি ভাড়া নেওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিলেও চালকদের দাবি, তীব্র গ্যাস সংকট ও দীর্ঘ সময় পাম্পে অপেক্ষা করার কারণে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া নিতে হচ্ছে।

সরেজমিনে বাহুবল-মিরপুর সড়কে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস নিতে চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এতে চালকদের দৈনিক গাড়ি চালানোর ট্রিপের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

চালকরা জানান, স্বাভাবিক সময়ে একাধিকবার যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হলেও গ্যাসের জন্য দীর্ঘ সময় পাম্পে আটকে থাকায় তাদের কর্মঘণ্টার বড় একটি অংশ নষ্ট হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনের আয় কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে সংসার খরচ, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য ব্যয় বহন করতে গিয়ে তারা আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন।

একাধিক চালকের ভাষ্য, বাড়তি ১০ টাকা ভাড়া নেওয়া তাদের ইচ্ছা বা কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নয়। গ্যাস সংকটের কারণে অতিরিক্ত সময় নষ্ট হওয়া এবং আয় কমে যাওয়ার পরিস্থিতিতে নিজেদের ন্যূনতম আয় ঠিক রাখতেই তারা এই বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন।

তবে যাত্রীদের জন্যও বাড়তি ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি স্বস্তিকর নয়। নিয়মিত এই পথে চলাচলকারী যাত্রীদের অনেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা দিতে হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

চালকদের দাবি, গ্যাস সংকটের স্থায়ী সমাধান হলে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তারা দ্রুত সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

চালকরা বলেন, গ্যাসের সংকট দূর হলে তাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না, দৈনিক ট্রিপের সংখ্যা বাড়বে এবং আয়ও স্বাভাবিক হবে। একই সঙ্গে যাত্রীরাও অতিরিক্ত ভাড়ার চাপ থেকে মুক্তি পাবেন।

বাহুবল-মিরপুর রুটের চালক ও যাত্রী উভয় পক্ষই দ্রুত গ্যাস সংকট নিরসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক পরিবহন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে রাষ্ট্রদূত দাউদ আলীকে দেশে ফেরার নির্দেশ

error:

বাহুবল থেকে মিরপুরে সিএনজি ভাড়া ৩০ টাকা, নেপথ্যে তীব্র গ্যাস সংকট

আপডেট সময় ১০:৪৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ সুমন মিয়া, বাহুবল প্রতিনিধি (হবিগঞ্জ):

হবিগঞ্জের বাহুবল থেকে মিরপুর রুটে চলাচলকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে অতিরিক্ত ১০ টাকা যোগ করে ৩০ টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। বাড়তি ভাড়া নেওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিলেও চালকদের দাবি, তীব্র গ্যাস সংকট ও দীর্ঘ সময় পাম্পে অপেক্ষা করার কারণে বাধ্য হয়েই অতিরিক্ত ভাড়া নিতে হচ্ছে।

সরেজমিনে বাহুবল-মিরপুর সড়কে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস নিতে চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও অনেক সময় প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। এতে চালকদের দৈনিক গাড়ি চালানোর ট্রিপের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

চালকরা জানান, স্বাভাবিক সময়ে একাধিকবার যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হলেও গ্যাসের জন্য দীর্ঘ সময় পাম্পে আটকে থাকায় তাদের কর্মঘণ্টার বড় একটি অংশ নষ্ট হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনের আয় কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে সংসার খরচ, গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণসহ অন্যান্য ব্যয় বহন করতে গিয়ে তারা আর্থিক চাপের মুখে পড়ছেন।

একাধিক চালকের ভাষ্য, বাড়তি ১০ টাকা ভাড়া নেওয়া তাদের ইচ্ছা বা কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নয়। গ্যাস সংকটের কারণে অতিরিক্ত সময় নষ্ট হওয়া এবং আয় কমে যাওয়ার পরিস্থিতিতে নিজেদের ন্যূনতম আয় ঠিক রাখতেই তারা এই বাড়তি ভাড়া নিচ্ছেন।

তবে যাত্রীদের জন্যও বাড়তি ভাড়া নেওয়ার বিষয়টি স্বস্তিকর নয়। নিয়মিত এই পথে চলাচলকারী যাত্রীদের অনেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি টাকা দিতে হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

চালকদের দাবি, গ্যাস সংকটের স্থায়ী সমাধান হলে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার প্রয়োজন হবে না। তারা দ্রুত সিএনজি স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

চালকরা বলেন, গ্যাসের সংকট দূর হলে তাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে না, দৈনিক ট্রিপের সংখ্যা বাড়বে এবং আয়ও স্বাভাবিক হবে। একই সঙ্গে যাত্রীরাও অতিরিক্ত ভাড়ার চাপ থেকে মুক্তি পাবেন।

বাহুবল-মিরপুর রুটের চালক ও যাত্রী উভয় পক্ষই দ্রুত গ্যাস সংকট নিরসনের মাধ্যমে স্বাভাবিক পরিবহন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।