ঢাকা ০৯:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ১০০ শতাংশ শুল্কের ঝুঁকিতে ভারত Logo পথ বন্ধ করে বাউন্ডারি নির্মাণ, ওসি-চেয়ারম্যানকে ইউএনওর চিঠি Logo মাধবপুরে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে কম্প্রেসার বিস্ফোরণে নিহত ১, আহত ২ Logo মাধবপুরের ঐতিহ্যবাহী সোহেল সিনেমা এখন কালের সাক্ষী Logo হাইমচরে ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ যুবক গ্রেপ্তার Logo মাধবপুরে শিক্ষকদের বেতন বিবরণী বিতরণ নিয়ে প্রশ্ন, তদন্তের আশ্বাস Logo মাধবপুরে মাঠে কৃষিকাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু Logo লাখাইয়ে চুরির অভিযোগে যুবক গ্রেফতার, কারাগারে Logo আফগানিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ জিতল ভারত Logo এনটিআরসিএর প্রতিষ্ঠান প্রধান-সহকারী প্রধান পরীক্ষার ভাইভা ১ অক্টোবর

ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমকে ডাকযোগে হুমকিমূলক চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেন চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলম।

স্ট্যাটাসে চেয়ারম্যান জানান, কে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা তিনি জানেন না। কারও কোনো অভিযোগ বা দাবি থাকলে সরাসরি এসে কথা বলার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ভয়ভীতি বা হুমকি না দিয়ে পরিচয় প্রকাশ করে কথা বলার অনুরোধ করেন।

চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলম বলেন, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছেন। ঘটনার সত্যতা একদিন প্রকাশ পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

চেয়ারম্যানের দাবি, ডাকযোগে তাকে মোট ১২টি হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছে। এসব চিঠিতে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও কঠোর পরিণতির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। চিঠিগুলোতে আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি চিঠির সঙ্গে সাদা কাফনের কাপড়ের নমুনা পাঠানো হয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন তিনি।

এ ঘটনায় মীর খোরশেদ আলম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জনপ্রতিনিধিকে ডাকযোগে হুমকির ঘটনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদে রাশিয়া নিষেধাজ্ঞা বিল পাস, ১০০ শতাংশ শুল্কের ঝুঁকিতে ভারত

error:

ডাকযোগে চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে আদাঐর ইউপি চেয়ারম্যানকে হত্যার হুমকি

আপডেট সময় ০৮:৪৬:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬

মাধবপুর প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলমকে ডাকযোগে হুমকিমূলক চিঠি ও কাফনের কাপড় পাঠিয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেন চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলম।

স্ট্যাটাসে চেয়ারম্যান জানান, কে বা কারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তা তিনি জানেন না। কারও কোনো অভিযোগ বা দাবি থাকলে সরাসরি এসে কথা বলার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে ভয়ভীতি বা হুমকি না দিয়ে পরিচয় প্রকাশ করে কথা বলার অনুরোধ করেন।

চেয়ারম্যান মীর খোরশেদ আলম বলেন, তিনি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে এনেছেন। ঘটনার সত্যতা একদিন প্রকাশ পাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

চেয়ারম্যানের দাবি, ডাকযোগে তাকে মোট ১২টি হুমকিমূলক চিঠি পাঠানো হয়েছে। এসব চিঠিতে তাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও কঠোর পরিণতির ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। চিঠিগুলোতে আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি চিঠির সঙ্গে সাদা কাফনের কাপড়ের নমুনা পাঠানো হয়েছে। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন তিনি।

এ ঘটনায় মীর খোরশেদ আলম থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিষয়টি অবহিত করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। জনপ্রতিনিধিকে ডাকযোগে হুমকির ঘটনায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।