ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

লাখাইয়ে সবজি বিক্রির জায়গা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: আহত ৩

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ৬নং বুল্লা ইউনিয়নের বুল্লা বাজারে সবজি বিক্রির জায়গা নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটার আঘাতে ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে বুল্লা বাজারের হযরত শাহ বায়েজিদ (রা.) মাজার গেট ও মাজার মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বুল্লা গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের ১০ বছর বয়সী ছেলে মো. ঝুমন মিয়া মাজার গেট সংলগ্ন সড়কে কলমিশাক বিক্রি করছিল। প্রথম দফায় শাক বিক্রি শেষে সে বাড়ি থেকে আরও শাক নিয়ে এসে দেখে তার আগের স্থানটি দখল করে একই গ্রামের জফু মিয়ার ছেলে মো. করিম মিয়া (৩০) কাঁচামাল বিক্রি করছেন।

এ সময় করিম মিয়া শিশু ঝুমনকে সেখান থেকে চলে যেতে বললে ঝুমনের আত্মীয় আলমগীর মিয়ার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে করিম মিয়া বাড়ি গিয়ে দলবলসহ দেশীয় অস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে ফিরে আসে বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে মাজার মাঠে করিম মিয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলমগীর (৩৫)-কে আঘাত করেন। তাকে রক্ষা করতে গেলে আব্দুর রহমান (৩০) হামলার শিকার হন। পরে আজিজ মিয়া (৪০) এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। তিনজনই গুরুতর আহত হন। আহতদের বাড়ি পূর্ব বুল্লা গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে।

ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বাজার ও আশপাশ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

লাখাই থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

লাখাইয়ে সবজি বিক্রির জায়গা নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ: আহত ৩

আপডেট সময় ০১:৫৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ৬নং বুল্লা ইউনিয়নের বুল্লা বাজারে সবজি বিক্রির জায়গা নিয়ে কথা-কাটাকাটির জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটার আঘাতে ৩ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বৃহস্পতিবার দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে বুল্লা বাজারের হযরত শাহ বায়েজিদ (রা.) মাজার গেট ও মাজার মাঠ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বুল্লা গ্রামের মো. জাহাঙ্গীর আলমের ১০ বছর বয়সী ছেলে মো. ঝুমন মিয়া মাজার গেট সংলগ্ন সড়কে কলমিশাক বিক্রি করছিল। প্রথম দফায় শাক বিক্রি শেষে সে বাড়ি থেকে আরও শাক নিয়ে এসে দেখে তার আগের স্থানটি দখল করে একই গ্রামের জফু মিয়ার ছেলে মো. করিম মিয়া (৩০) কাঁচামাল বিক্রি করছেন।

এ সময় করিম মিয়া শিশু ঝুমনকে সেখান থেকে চলে যেতে বললে ঝুমনের আত্মীয় আলমগীর মিয়ার সঙ্গে তার বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে করিম মিয়া বাড়ি গিয়ে দলবলসহ দেশীয় অস্ত্র ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থলে ফিরে আসে বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে মাজার মাঠে করিম মিয়া ধারালো অস্ত্র দিয়ে আলমগীর (৩৫)-কে আঘাত করেন। তাকে রক্ষা করতে গেলে আব্দুর রহমান (৩০) হামলার শিকার হন। পরে আজিজ মিয়া (৪০) এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। তিনজনই গুরুতর আহত হন। আহতদের বাড়ি পূর্ব বুল্লা গ্রামের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে।

ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।

সংঘর্ষের খবর পেয়ে লাখাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং পুলিশ সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও বাজার ও আশপাশ এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

লাখাই থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।