
চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ঘর ভেঙে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে একজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের বাসুল্লা পাহাড় এলাকায় দরিদ্র কৃষকের স্ত্রী ওই নারী ঘটনার রাতে ঘরে একা ছিলেন। তার স্বামী ও ছেলে জীবিকার তাগিদে অন্যত্র অবস্থান করছিলেন এবং মেয়ে নানার বাড়িতে ছিলেন।
রাত আনুমানিক ১২টার দিকে দুই ব্যক্তি ঘরের পেছনের দরজা ও টিন ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ওই নারীকে জোরপূর্বক ঘর থেকে তুলে পাশের একটি টিলায় নিয়ে যায়। সেখানে তার পড়নের কাপড় দিয়ে হাত ও মুখ বেঁধে এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে।
নির্যাতনের পর অভিযুক্তরা তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যায়। রাত প্রায় ৩টার দিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই নারী পাশ্ববর্তী এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন।
পরে তাকে প্রথমে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।
মামলায় একই এলাকার মো. নূহ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ধর্ষণের সময় তার স্বর্ণালংকার ও ঘরে থাকা নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এছাড়া মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এদিকে, নির্যাতিতার স্বামী অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের নেতা খলিলুর রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ৫ লাখ টাকায় আপসের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। তবে তিনি এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























