ঢাকা ০৭:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

চুনারুঘাটে ঘর ভেঙে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ঘর ভেঙে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে একজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের বাসুল্লা পাহাড় এলাকায় দরিদ্র কৃষকের স্ত্রী ওই নারী ঘটনার রাতে ঘরে একা ছিলেন। তার স্বামী ও ছেলে জীবিকার তাগিদে অন্যত্র অবস্থান করছিলেন এবং মেয়ে নানার বাড়িতে ছিলেন।

রাত আনুমানিক ১২টার দিকে দুই ব্যক্তি ঘরের পেছনের দরজা ও টিন ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ওই নারীকে জোরপূর্বক ঘর থেকে তুলে পাশের একটি টিলায় নিয়ে যায়। সেখানে তার পড়নের কাপড় দিয়ে হাত ও মুখ বেঁধে এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে।

নির্যাতনের পর অভিযুক্তরা তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যায়। রাত প্রায় ৩টার দিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই নারী পাশ্ববর্তী এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন।

পরে তাকে প্রথমে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।

মামলায় একই এলাকার মো. নূহ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ধর্ষণের সময় তার স্বর্ণালংকার ও ঘরে থাকা নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এছাড়া মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এদিকে, নির্যাতিতার স্বামী অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের নেতা খলিলুর রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ৫ লাখ টাকায় আপসের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। তবে তিনি এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

চুনারুঘাটে ঘর ভেঙে গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ, মামলা তুলে নিতে হুমকির অভিযোগ

আপডেট সময় ১১:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ঘর ভেঙে এক গৃহবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে একজনের নাম উল্লেখ করে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করে চুনারুঘাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের বাসুল্লা পাহাড় এলাকায় দরিদ্র কৃষকের স্ত্রী ওই নারী ঘটনার রাতে ঘরে একা ছিলেন। তার স্বামী ও ছেলে জীবিকার তাগিদে অন্যত্র অবস্থান করছিলেন এবং মেয়ে নানার বাড়িতে ছিলেন।

রাত আনুমানিক ১২টার দিকে দুই ব্যক্তি ঘরের পেছনের দরজা ও টিন ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে তারা ওই নারীকে জোরপূর্বক ঘর থেকে তুলে পাশের একটি টিলায় নিয়ে যায়। সেখানে তার পড়নের কাপড় দিয়ে হাত ও মুখ বেঁধে এক ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে।

নির্যাতনের পর অভিযুক্তরা তাকে ঘটনাস্থলে ফেলে পালিয়ে যায়। রাত প্রায় ৩টার দিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই নারী পাশ্ববর্তী এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন।

পরে তাকে প্রথমে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।

মামলায় একই এলাকার মো. নূহ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ধর্ষণের সময় তার স্বর্ণালংকার ও ঘরে থাকা নগদ প্রায় ২০ হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায় অভিযুক্তরা। এছাড়া মামলা দায়েরের পর অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

এদিকে, নির্যাতিতার স্বামী অভিযোগ করেন, মামলা দায়েরের পর স্থানীয় একটি রাজনৈতিক দলের নেতা খলিলুর রহমানসহ কয়েকজন ব্যক্তি ৫ লাখ টাকায় আপসের জন্য চাপ সৃষ্টি করছেন। তবে তিনি এ ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।