ঢাকা ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার Logo হবিগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা এনসিপির, মৌলভীবাজারের দুই পদযাত্রা স্থগিত Logo হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম Logo হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ, আহত সারজিস আলম ও নেতাকর্মীরা Logo দেওন্দী চা বাগানে কম দরে কাঁচা চা পাতা বিক্রির অভিযোগ, শুল্ক ফাঁকির দাবি Logo মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি Logo বাহুবলে নিজ বসতঘর থেকে সাবেক ইটভাটা মালিকের মরদেহ উদ্ধার Logo সেবা বঞ্চিত লাখাইয়ের গঙ্গানগরবাসী, রোগীদের না দিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ Logo চা বাগানের মেয়ে জেসমিন আক্তার রিংকুর নতুন পথচলা, আত্মপ্রকাশ করছে ‘Jesmin Tea’ Logo এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১০ আগস্ট

হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এনসিপির নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জে অবস্থান করবেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সারজিস আলম এ মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এনসিপির কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে এবং আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথেও বাধা সৃষ্টি করেছে।

সারজিস আলম বলেন, হামলায় অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। কারও হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথা ফেটে গেছে। হামলাকারীরা ক্যামেরা, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও দাবি করেন, একজন কর্মীর চোখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং আরেকজনের মুখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আহত সাত থেকে আটজন নেতাকর্মীকে নিয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে যাওয়ার পথে হাসপাতালের সামনেও তাদের ওপর আবার হামলা চালানো হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা রড, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে আক্রমণ করে এবং হাসপাতালে প্রবেশে বাধা দেয়।

পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ হামলা প্রতিরোধের পরিবর্তে দূর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে।

এ সময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতি প্রশ্ন তুলে বলেন, শুধুমাত্র মতপার্থক্য বা সমালোচনার কারণে এ ধরনের হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।

সারজিস আলম বলেন, “এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি। যদি পারে আমাদেরকে মেরে ফেলবে। প্রয়োজনে এখান থেকে আমাদের লাশ যাবে, কিন্তু এই হামলার বিচার হতেই হবে।”

তবে এনসিপির উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল ও যুবদলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

error:

হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি, যদি পারে মেরে ফেলবে: সারজিস আলম

আপডেট সময় ০৯:২৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বাংলার খবর ডেস্ক:

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন দলের উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত এনসিপির নেতাকর্মীরা হবিগঞ্জে অবস্থান করবেন।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সারজিস আলম এ মন্তব্য করেন। তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এনসিপির কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করেছে এবং আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পথেও বাধা সৃষ্টি করেছে।

সারজিস আলম বলেন, হামলায় অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন। কারও হাত ভেঙে গেছে, কারও মাথা ফেটে গেছে। হামলাকারীরা ক্যামেরা, মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন মালামাল ছিনিয়ে নিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরও দাবি করেন, একজন কর্মীর চোখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে এবং আরেকজনের মুখে রড দিয়ে আঘাত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আহত সাত থেকে আটজন নেতাকর্মীকে নিয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে যাওয়ার পথে হাসপাতালের সামনেও তাদের ওপর আবার হামলা চালানো হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা রড, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে আক্রমণ করে এবং হাসপাতালে প্রবেশে বাধা দেয়।

পুলিশের ভূমিকার সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত থাকলেও তারা কার্যকর ভূমিকা পালন করেনি। তিনি অভিযোগ করেন, পুলিশ হামলা প্রতিরোধের পরিবর্তে দূর থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে।

এ সময় তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও দলের জ্যেষ্ঠ নেতা সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতি প্রশ্ন তুলে বলেন, শুধুমাত্র মতপার্থক্য বা সমালোচনার কারণে এ ধরনের হামলা গ্রহণযোগ্য নয়। হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।

সারজিস আলম বলেন, “এর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা হবিগঞ্জে আছি। যদি পারে আমাদেরকে মেরে ফেলবে। প্রয়োজনে এখান থেকে আমাদের লাশ যাবে, কিন্তু এই হামলার বিচার হতেই হবে।”

তবে এনসিপির উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদল ও যুবদলের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।