ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাকির হোসাইন Logo লাখাইয়ে বালু নিলামে গিয়ে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়লেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা Logo হবিগঞ্জে সাইবার ক্রাইম মনিটরিং সেলের অভিযানে ৮ লাখ ৬১ হাজার টাকা ও ৩১ মোবাইল উদ্ধার Logo পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে বুধবার দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি Logo ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে সারাদেশে র‍্যাবের কড়া নিরাপত্তা, জোরদার গোয়েন্দা নজরদারি Logo লাখাইয়ে বুল্লা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্সে নতুন মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন Logo হাইমচরের নবাগত ইউএনও ও ওসির সঙ্গে জামায়াত নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo ভারতে পালানোর চেষ্টাকালে সীমান্তে আটক সিলেটের আওয়ামী লীগ নেতা মিসবাহ সিরাজ Logo ক্যান্সার চিকিৎসার নামে প্রতারণার অভিযোগ, পাঁচ মাস পর পা কাটার পরামর্শ

লাখাইয়ে বালু নিলামে গিয়ে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়লেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ১ নম্বর লাখাই ইউনিয়নের সুতাং নদী খননের মাধ্যমে উত্তোলিত মাটি মিশ্রিত বালু নিলামকে কেন্দ্র করে ব্যাপক হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের তীব্র প্রতিবাদের মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম নির্ধারিত নিলামস্থল থেকে ফিরে আসেন। পরে পূর্বনির্ধারিত স্পটগুলোতে নিলাম সম্পন্ন করা সম্ভব না হলেও উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
পূর্বঘোষিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সোমবার (২৫ আগস্ট) সুতাং নদী খননের ফলে উত্তোলিত বালু বিধি অনুযায়ী নিলামে বিক্রির জন্য নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী ক্রেতারা।
নিলামের সূচি অনুযায়ী প্রথম স্পট ছিল উপজেলার বাঙ্গালপাড়া এলাকা। সেখানে পৌঁছানোর পর স্থানীয় লোকজন ও জমির মালিকরা নিলামের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে সেখানে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
প্রতিবাদকারী জমির মালিক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সুতাং নদী খননের সময় তাদের ব্যক্তিগত জমিতে বালু ফেলা হয়েছিল। তাদের দাবি, এ জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তোফাজ্জল ও যুবদল নেতা রায়হানকে তারা লাখ লাখ টাকা দিয়েছেন। নিজেদের অর্থ ব্যয় করে জমিতে বালু রাখার পর এখন সেই বালু নিলামে বিক্রি করা হলে তাদের খরচ করা অর্থ ও ক্ষতিপূরণ কীভাবে সমন্বয় হবে—এ প্রশ্ন তুলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
একপর্যায়ে বাঙ্গালপাড়ার বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে ইউএনও সৈয়দ মুরাদ ইসলামকে ঘিরে ধরে নিলামের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেখানে নিলাম কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং ইউএনও ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরিস্থিতির কারণে পূর্বনির্ধারিত অন্যান্য স্পটেও আর নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাখাই উপজেলা পরিষদে ফিরে যান। সেখানে নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করে সুতাং নদী খননের মাধ্যমে উত্তোলিত মাটি মিশ্রিত বালুর নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি জাকির হোসাইন

error:

লাখাইয়ে বালু নিলামে গিয়ে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়লেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৬:৪৬:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার ১ নম্বর লাখাই ইউনিয়নের সুতাং নদী খননের মাধ্যমে উত্তোলিত মাটি মিশ্রিত বালু নিলামকে কেন্দ্র করে ব্যাপক হট্টগোল ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় লোকজনের তীব্র প্রতিবাদের মুখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ মুরাদ ইসলাম নির্ধারিত নিলামস্থল থেকে ফিরে আসেন। পরে পূর্বনির্ধারিত স্পটগুলোতে নিলাম সম্পন্ন করা সম্ভব না হলেও উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।
পূর্বঘোষিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সোমবার (২৫ আগস্ট) সুতাং নদী খননের ফলে উত্তোলিত বালু বিধি অনুযায়ী নিলামে বিক্রির জন্য নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং নিলামে অংশ নিতে আগ্রহী ক্রেতারা।
নিলামের সূচি অনুযায়ী প্রথম স্পট ছিল উপজেলার বাঙ্গালপাড়া এলাকা। সেখানে পৌঁছানোর পর স্থানীয় লোকজন ও জমির মালিকরা নিলামের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। একপর্যায়ে সেখানে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়।
প্রতিবাদকারী জমির মালিক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, সুতাং নদী খননের সময় তাদের ব্যক্তিগত জমিতে বালু ফেলা হয়েছিল। তাদের দাবি, এ জন্য স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা তোফাজ্জল ও যুবদল নেতা রায়হানকে তারা লাখ লাখ টাকা দিয়েছেন। নিজেদের অর্থ ব্যয় করে জমিতে বালু রাখার পর এখন সেই বালু নিলামে বিক্রি করা হলে তাদের খরচ করা অর্থ ও ক্ষতিপূরণ কীভাবে সমন্বয় হবে—এ প্রশ্ন তুলে তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
একপর্যায়ে বাঙ্গালপাড়ার বাসিন্দারা একত্রিত হয়ে ইউএনও সৈয়দ মুরাদ ইসলামকে ঘিরে ধরে নিলামের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সেখানে নিলাম কার্যক্রম স্থগিত করা হয় এবং ইউএনও ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরিস্থিতির কারণে পূর্বনির্ধারিত অন্যান্য স্পটেও আর নিলাম কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাখাই উপজেলা পরিষদে ফিরে যান। সেখানে নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করে সুতাং নদী খননের মাধ্যমে উত্তোলিত মাটি মিশ্রিত বালুর নিলাম প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়।