ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরের ঝুঁকিপূর্ণ সেতু: দ্রুত সংস্কার না হলে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা Logo সুরমা চা বাগানে ৫০ বছরের পুরোনো সেতুতে চরম ভোগান্তি, দ্রুত পুনর্নির্মাণের দাবি Logo দীর্ঘ কর্মজীবনের ইতি টেনে অবসরে শিপ্রা রায়, ছাতিয়াইনে সংবর্ধনা Logo সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সেগুন গাছ চুরির ঘটনায় পাঁচ বনকর্মী বরখাস্তের নির্দেশ Logo লাখাইয়ে সুচিত্রার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, সরেজমিনে তদন্তে কমিটি Logo লাখাইয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে মৃগী রোগী যুবকের মৃত্যু Logo সংবাদ প্রকাশের পর মাধবপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা Logo তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ নিয়ে ইউএনওর তথ্যবহুল ফেসবুক পোস্ট Logo বাংলাদেশ পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নতুন সাধারণ সম্পাদক মিল্টন বৈদ্যকে জয়ধর হিরুর অভিনন্দন Logo সাংবাদিকতার যোগ্যতা নির্ধারণে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে সরকার: প্রধান তথ্য কর্মকর্তা

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সেগুন গাছ চুরির ঘটনায় পাঁচ বনকর্মী বরখাস্তের নির্দেশ

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে মূল্যবান সেগুন গাছ কাটার ঘটনায় পাঁচ বনকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। স্মারক নম্বর ০৩১২০০০০০৭৯০১৬০১২০ অংশ (১২)২৬৭-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বরখাস্তের নির্দেশপ্রাপ্ত বনকর্মীরা হলেন—সাতছড়ি রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, তেলমাছড়া বিট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ আউট নুর মোহাম্মদ, ফরেস্ট গার্ড সুমন বিশ্বাস ও বাগানমালী শেখ আহমেদ।

জানা গেছে, গত মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ২০ থেকে ২৫টি মূল্যবান সেগুন গাছ দুর্বৃত্তরা কেটে নিয়ে গেছে—এমন অভিযোগে জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত শুরু করে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে গাছ কাটার ঘটনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে উল্লেখিত পাঁচ বনকর্মীসহ মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নির্দেশনা পাঠানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পত্রে বলা হয়েছে, গোপনীয় প্রতিবেদনের ‘খ’ তালিকায় বর্ণিত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবৈধভাবে গাছ কাটার ঘটনায় জড়িত কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মোকদ্দমা রুজু করতে হবে।

একই সঙ্গে ‘ক’ ও ‘গ’ তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জরুরি ভিত্তিতে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় বনকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানা যায়নি। বিভাগীয় তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ঘটনার প্রকৃত দায় ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরের ঝুঁকিপূর্ণ সেতু: দ্রুত সংস্কার না হলে ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা

error:

সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সেগুন গাছ চুরির ঘটনায় পাঁচ বনকর্মী বরখাস্তের নির্দেশ

আপডেট সময় ০৬:৪৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে মূল্যবান সেগুন গাছ কাটার ঘটনায় পাঁচ বনকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে নড়েচড়ে বসেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। স্মারক নম্বর ০৩১২০০০০০৭৯০১৬০১২০ অংশ (১২)২৬৭-এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়।

বরখাস্তের নির্দেশপ্রাপ্ত বনকর্মীরা হলেন—সাতছড়ি রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ, তেলমাছড়া বিট কর্মকর্তা মেহেদী হাসান, জুনিয়র ওয়াইল্ডলাইফ আউট নুর মোহাম্মদ, ফরেস্ট গার্ড সুমন বিশ্বাস ও বাগানমালী শেখ আহমেদ।

জানা গেছে, গত মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান থেকে ২০ থেকে ২৫টি মূল্যবান সেগুন গাছ দুর্বৃত্তরা কেটে নিয়ে গেছে—এমন অভিযোগে জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত শুরু করে।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার অনুসন্ধানে গাছ কাটার ঘটনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে আসে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে উল্লেখিত পাঁচ বনকর্মীসহ মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে নির্দেশনা পাঠানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পত্রে বলা হয়েছে, গোপনীয় প্রতিবেদনের ‘খ’ তালিকায় বর্ণিত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অবৈধভাবে গাছ কাটার ঘটনায় জড়িত কর্মচারীদের সাময়িক বরখাস্ত করে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মোকদ্দমা রুজু করতে হবে।

একই সঙ্গে ‘ক’ ও ‘গ’ তালিকাভুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে জরুরি ভিত্তিতে গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তবে এ ঘটনায় বনকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য জানা যায়নি। বিভাগীয় তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া শেষে ঘটনার প্রকৃত দায় ও সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি স্পষ্ট হবে।