
ডেস্ক নিউজ বাংলার খবর ২৪:
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের গোয়েন্দা সক্ষমতা কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে এ ধরনের ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬-এর ‘পদক প্রদান অনুষ্ঠানে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যারা ফ্যাসিবাদী শক্তি ও আওয়ামী লীগের দোসরদের আইনের আওতায় আনতে পারবেন, তাদের পুরস্কৃত করা হবে। গত সপ্তাহে এ ধরনের দুজনকে এবং শুক্রবার আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আত্মগোপনে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের গোয়েন্দা তথ্য ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এতদিন যারা আত্মগোপনে ছিলেন, তাদের বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য কাজে লাগাতে হবে। পুলিশের গোয়েন্দা সহায়তাকে সবচেয়ে কার্যকর উল্লেখ করে তিনি তা যথাযথভাবে ব্যবহারের নির্দেশ দেন।
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
বক্তব্যে ২০২৪ সালের সহিংসতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি জাতিসংঘের হিসাবের কথা উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে গত ১৭ বছরে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম ও হেফাজতে মৃত্যুর বিভিন্ন পরিসংখ্যানের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, যারা এক মাসে বিপুলসংখ্যক মানুষকে হত্যা করতে পারে এবং রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করে গণতন্ত্রহীন পরিস্থিতি তৈরি করেছিল, তাদের বিষয়ে দেশের মানুষ কী সিদ্ধান্ত নেবে—সেটি জনগণের বিষয়।
তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনার পরও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ, অনুশোচনা বা ক্ষমা প্রার্থনার ঘটনা ঘটেনি।
শেখ হাসিনাসহ সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্রের কাছে তাদের ফেরত দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। তারা স্বেচ্ছায় দেশে ফিরে আইনের মুখোমুখি হলে আইন নিজস্ব গতিতে চলবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে ৯৮ জন পুলিশ সদস্যকে পিপিএম ও বিপিএম পদক পরিয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 



















