ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ঘোড়ার পা ভাঙার প্রতিশোধ, নাকি এক বীরের জেদ? লাখাই থানা প্রতিষ্ঠার প্রচলিত ইতিহাস Logo লাখাইয়ের ফরদাবাদে ৩০০ ফুটের নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই ভরসা, স্থায়ী সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী Logo বিশ্বকাপ উন্মাদনায় শাহজালালপুরে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ, উৎসবমুখর পরিবেশ Logo সাতছড়িতে বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে মতবিনিময় সভা, নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান Logo মানুষের সেবা করেই জনগণের আস্থা অর্জন করতে চাই: এমপি সৈয়দ মো. ফয়সল Logo লাখাইয়ের বুল্লা বাজারে দুর্ধর্ষ চুরি, নগদ টাকাসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট Logo বিশ্বকাপজয়ীদের জন্য এবার নতুন সম্মাননা, প্রথমবার দেওয়া হবে চ্যাম্পিয়নশিপ রিং Logo লাখাইয়ে কৃষক স্মার্ট কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন, শুরু হলো তথ্য সংগ্রহ Logo সাতছড়ি সড়ক ধসে ট্রাক উল্টে যান চলাচল বন্ধ, বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ Logo বিশ্বমঞ্চে মাধবপুরের কৃতি সন্তান রাবাব ফাতিমা, আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ প্রতিনিধি

লাখাইয়ের ফরদাবাদে ৩০০ ফুটের নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই ভরসা, স্থায়ী সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মোড়াকরি ইউনিয়নের ফরদাবাদ গ্রামে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক গ্রামের মানুষ। বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনো সেতু নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নে প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করছেন।

বর্তমানে নড়বড়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকোটিই ফরদাবাদ মহল্লার ৬০ থেকে ৭০টিরও বেশি পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ষা মৌসুমে চারদিকে পানি থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতি বছর ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে সাঁকোটি মেরামত করেন। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও বয়স্করা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পারাপার করছেন।

স্থানীয়রা জানান, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলেও মরদেহ সৎকারের জন্য নৌকায় করে নিয়ে যেতে হয়। খরা মৌসুমে ভাঙাচোরা রাস্তা এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতার কারণে গত দুই থেকে তিন দশক ধরে চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে মোড়াকরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সাল মোল্লা বলেন, “উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় বাঁশের সাঁকোর বিষয়টি উপস্থাপন করেছি। জনদুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।”

অন্যদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোটির বিষয়ে তিনি এখনো অবগত নন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ফরদাবাদে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘোড়ার পা ভাঙার প্রতিশোধ, নাকি এক বীরের জেদ? লাখাই থানা প্রতিষ্ঠার প্রচলিত ইতিহাস

লাখাইয়ের ফরদাবাদে ৩০০ ফুটের নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই ভরসা, স্থায়ী সেতুর দাবিতে এলাকাবাসী

আপডেট সময় ১২:৫২:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার মোড়াকরি ইউনিয়নের ফরদাবাদ গ্রামে একটি স্থায়ী সেতুর অভাবে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক গ্রামের মানুষ। বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাস মিললেও বাস্তবে কোনো সেতু নির্মাণ না হওয়ায় স্থানীয়রা নিজেদের অর্থায়নে প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে চলাচল করছেন।

বর্তমানে নড়বড়ে ও ঝুঁকিপূর্ণ এই বাঁশের সাঁকোটিই ফরদাবাদ মহল্লার ৬০ থেকে ৭০টিরও বেশি পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র অবলম্বন।

সরেজমিনে দেখা যায়, বর্ষা মৌসুমে চারদিকে পানি থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতি বছর ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা ব্যয়ে সাঁকোটি মেরামত করেন। বিকল্প কোনো পথ না থাকায় প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ ও বয়স্করা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই সাঁকো পারাপার করছেন।

স্থানীয়রা জানান, কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলেও মরদেহ সৎকারের জন্য নৌকায় করে নিয়ে যেতে হয়। খরা মৌসুমে ভাঙাচোরা রাস্তা এবং বর্ষায় জলাবদ্ধতার কারণে গত দুই থেকে তিন দশক ধরে চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছেন তারা।

এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে মোড়াকরি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়সাল মোল্লা বলেন, “উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভায় বাঁশের সাঁকোর বিষয়টি উপস্থাপন করেছি। জনদুর্ভোগ নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।”

অন্যদিকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোটির বিষয়ে তিনি এখনো অবগত নন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ফরদাবাদে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেবে।