
বাংলার খবর ডেস্ক:
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর চা-বাগান থেকে অবৈধভাবে কাটা প্রায় ১০৮ ফুট কাঠ জব্দ করেছে বন বিভাগ। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে স্থানীয় বিট কর্মকর্তা গোলাম কাদেরের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়। জব্দ করা কাঠের বাজারমূল্য কয়েক লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।
অভিযানের সময় দুইজন স্থানীয় সাংবাদিককে সাক্ষী রাখা হয়। তবে এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। বিট কর্মকর্তা গোলাম কাদের বলেন, “আইনশৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকে ইউএনও স্যারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশনায় আমরা কাঠগুলো জব্দ করেছি। পরবর্তী আদেশ পেলে মামলা দেওয়া হবে।”
সিলেটের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, “ঘটনাটি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হচ্ছে। চা-বাগানের ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও নীতিলঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। স্থানীয় প্রশাসনেরও এখানে দায়িত্ব রয়েছে।”
অভিযানে সাক্ষী হিসেবে থাকা সাংবাদিক ত্রিপুরারি দেবনাথ তিপু বলেন, “ক্রমাগত কৌশলে গাছ চুরি করা ফৌজদারি অপরাধ। স্থানীয় বন কর্মকর্তাদের যোগসাজশ আছে কি না, সেটিও তদন্ত করা প্রয়োজন।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, বৈকুণ্ঠপুর চা-বাগানের দুই ম্যানেজার শামসুল হক ও গোলাম মহিউদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে বাগানের গাছ কেটে পাচার করে আসছেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 






















