ঢাকা ০৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বিনামূল্যে ৩০৩ রোগীর চোখের অপারেশন Logo মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড Logo স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ চূড়ান্ত নয়: ইসি আনোয়ারুল Logo চিকিৎসক ছাড়াই চলছে নোয়াপাড়া উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র Logo শীতের আগেই লাখাইয়ে নির্বিচারে পাখি শিকার ও বিক্রি, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা Logo নাসিরনগরে স্পিডবোট-বাল্কহেড সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১ Logo বাহুবলে মাদক সেবন ও হট্টগোলের দায়ে ইছব আলীর ৭ মাসের কারাদণ্ড Logo আপত্তির মুখেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের কনসার্টে শ্রোতাদের ঢল Logo চুনারুঘাটে হুইলচেয়ারেই কাটে প্রধান শিক্ষক কল্যাণ কুমার দেবের জীবন Logo সাত ধাপে ইউপি ভোট, প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক মো. নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মামলার সাত আসামিই পলাতক অবস্থায় ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলন দমনে নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা, সহায়তা ও সহিংসতার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা সংঘটিত হয়।

মামলার কার্যক্রম শুরু হয় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ছিল, আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে নেতাকর্মীদের মাঠে নামানো, সহিংস প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন পর্যায়ে দমন-পীড়নের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও আনা হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকেন্দ্রিক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর ধারাবাহিক বিচারের মধ্যে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে একই সময়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আরও রায় ঘোষণা করেছে ট্রাইব্যুনাল।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে বিনামূল্যে ৩০৩ রোগীর চোখের অপারেশন

error:

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-নাছিম-আরাফাত-পরশসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০২:০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক মো. নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মামলার সাত আসামিই পলাতক অবস্থায় ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আন্দোলন দমনে নির্দেশ, উসকানি, প্ররোচনা, সহায়তা ও সহিংসতার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ আনা হয়। রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ অনুযায়ী, এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতার ঘটনা সংঘটিত হয়।

মামলার কার্যক্রম শুরু হয় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ছিল, আন্দোলন দমনে আসামিরা সমন্বিতভাবে নির্দেশনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে নেতাকর্মীদের মাঠে নামানো, সহিংস প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন পর্যায়ে দমন-পীড়নের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও আনা হয়।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকেন্দ্রিক মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলাগুলোর ধারাবাহিক বিচারের মধ্যে এটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এর আগে একই সময়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আরও রায় ঘোষণা করেছে ট্রাইব্যুনাল।