
আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে দেশের ৬৩ জেলার ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
সোমবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন কমিশনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, ধাপে ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার সব ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হবে ১২ নভেম্বর। তবে উপনির্বাচনের কারণে ঠাকুরগাঁওকে প্রথম ধাপের বাইরে রাখা হয়েছে। জেলাটি দ্বিতীয় ধাপে ভোটের আওতায় থাকবে।
নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করা হবে। প্রথম ধাপের পর দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর ভোট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
পরবর্তী ধাপগুলোর মধ্যে ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপ, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং ২৭ মে সপ্তম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে।
নির্বাচনের সময় নির্ধারণে বিভিন্ন পরীক্ষা, দুর্গাপূজা, রমজান ও ঈদের সময় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার। তবে এসব তারিখ এখনো চূড়ান্ত নয়। আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃবিভাগীয় বৈঠকের পর নির্বাচনের ধাপ ও সময়সূচি চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।
ইসি জানিয়েছে, দেশের মোট ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ২৭২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করার সময়সীমা নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























