ঢাকা ০৪:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ Logo বাহুবলে আবারও পুলিশের বাধায় এনসিপি Logo পুলিশকে হাসনাত: ‘দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন করবেন না’ Logo সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার Logo চট্টগ্রামে এনসিপির কর্মসূচিতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধা, হাতাহাতি Logo চা বাগানে এমপির প্রচেষ্টায় নতুন ঘর পেল আদিবাসী পরিবার Logo প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য আনারস পাঠালেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী Logo এনসিপি ও বিএনপির পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি ঘিরে হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা জারি Logo নাসীর-সারজিসের ওপর হামলার প্রতিবাদে হবিগঞ্জ আসছেন নাহিদ-হাসনাত-আখতার

পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায়

চলতি বছরের শুরুতে বানিয়াচং থানায় হামলা ও পুলিশ সদস্য এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে হত্যার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার দাবি করে আলোচনায় আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মাহাদী হাসান এবার নিজের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের আশ্রয় নিয়েছেন।

বুধবার হবিগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে মৌখিক অভিযোগ দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহাদী হাসান। এর আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লাইভে এসে তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া করছেন এবং হামলার আশঙ্কায় তিনি থানায় আশ্রয় নিয়েছেন।

লাইভ ভিডিওতে মাহাদী হাসান বলেন, তার ওপর হামলার উদ্দেশ্যে ধাওয়া দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি আত্মরক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর থানায় অবস্থান নিয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, ড্রাইভিং পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়ার সময় তাকে অনুসরণ করা হয়।

এর আগে গত ২ জানুয়ারি এক যুবককে ছাড়িয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের একটি দল নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় যান মাহাদী হাসান। সে সময় ওসির কক্ষে বসে তিনি বানিয়াচং থানায় অগ্নিসংযোগ এবং এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে হত্যার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার দাবি করে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্য দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

পরবর্তীতে ৩ জানুয়ারি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরদিন আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মাহাদী হাসানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরোধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, হামলার অভিযোগসংক্রান্ত ভিডিওতে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীকে শনাক্ত করা যায়নি এবং মাহাদী হাসানও কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে পারেননি। তিনি একটি মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন এবং বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। বর্তমানে তিনি থানাতেই অবস্থান করছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা

error:

পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায়

আপডেট সময় ০৪:৪৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

চলতি বছরের শুরুতে বানিয়াচং থানায় হামলা ও পুলিশ সদস্য এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে হত্যার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার দাবি করে আলোচনায় আসা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক মাহাদী হাসান এবার নিজের নিরাপত্তার জন্য পুলিশের আশ্রয় নিয়েছেন।

বুধবার হবিগঞ্জ সদর থানায় গিয়ে মৌখিক অভিযোগ দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাহাদী হাসান। এর আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লাইভে এসে তিনি দাবি করেন, ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া করছেন এবং হামলার আশঙ্কায় তিনি থানায় আশ্রয় নিয়েছেন।

লাইভ ভিডিওতে মাহাদী হাসান বলেন, তার ওপর হামলার উদ্দেশ্যে ধাওয়া দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি আত্মরক্ষার জন্য হবিগঞ্জ সদর থানায় অবস্থান নিয়েছেন। তিনি আরও দাবি করেন, ড্রাইভিং পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়ার সময় তাকে অনুসরণ করা হয়।

এর আগে গত ২ জানুয়ারি এক যুবককে ছাড়িয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের একটি দল নিয়ে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় যান মাহাদী হাসান। সে সময় ওসির কক্ষে বসে তিনি বানিয়াচং থানায় অগ্নিসংযোগ এবং এসআই সন্তোষ চৌধুরীকে হত্যার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার দাবি করে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্য দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

পরবর্তীতে ৩ জানুয়ারি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। তবে পরদিন আদালত থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।

হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মাহাদী হাসানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরোধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

তিনি বলেন, হামলার অভিযোগসংক্রান্ত ভিডিওতে ছাত্রদলের কোনো নেতাকর্মীকে শনাক্ত করা যায়নি এবং মাহাদী হাসানও কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে পারেননি। তিনি একটি মৌখিক অভিযোগ দিয়েছেন এবং বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। বর্তমানে তিনি থানাতেই অবস্থান করছেন।