
মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুরে একটি হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক কর্তৃক এক শিক্ষার্থীকে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
উপজেলার মাল্লা গ্রামের শাহেদা খাতুন হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে মাধবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে একটি প্রভাবশালী মহল তড়িঘড়ি করে তাকে হাসপাতাল থেকে সরিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থী আমান (৯) উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা বাছির মিয়ার ছেলে। বাছির মিয়া ঢাকার মগবাজার এলাকায় একটি হোটেলে কর্মরত। তিনি জানান, সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে তাকে কোরআনের হাফেজ বানাতে মাদ্রাসায় ভর্তি করিয়েছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার সময় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাইয়ুম উপস্থিত ছিলেন না। তার অনুপস্থিতিতে মোছাব্বির নামে এক শিক্ষক রাতের বেলায় শিশুটিকে বেধড়ক মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। ঘটনার পর থেকে শিশুটি আতঙ্কে ভুগছে।
এ বিষয়ে আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে আপোষে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। চিকিৎসা বাবদ ১৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।”
এদিকে ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেকেই জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা জানান, এখনো এ ঘটনায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























