ঢাকা ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ Logo হৃদরোগ নাকি বিষাক্ত মদ? লাখাইয়ে ৬ জনের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য Logo হবিগঞ্জে ৫৫ বিজিবির পৃথক অভিযানে প্রায় ৬৫ লাখ টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ Logo বাহুবলে ইউএনও উজ্জ্বল রায়ের মোবাইল কোর্ট: মাদকবিরোধী অভিযানে দুইজনের কারাদণ্ড Logo বাহুবলে পূর্ব জয়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তদন্তে গড়িমসি, প্রশ্নের মুখে শিক্ষা বিভাগ Logo নোয়াপাড়া রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেন থেকে ছিনতাইকৃত ২ মোবাইল উদ্ধার, আটক ২ Logo মাধবপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগের ফল ৬ আগস্ট Logo হবিগঞ্জে এনসিপির ওপর হামলায় ছাত্রদলের চার নেতা-কর্মীকে শনাক্তের দাবি Logo হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে এনসিপির মামলা Logo লাখাইয়ে সরকারি বই পাচার মামলার সুরাহা কবে? দুদকের ধীরগতিতে জনমনে চরম ক্ষোভ

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: গ্রিস উপকূলে ২২ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ হবিগঞ্জের দুই ভায়রা ভাই

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

অবৈধ পথে ইউরোপ পাড়ি দিতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। গ্রিস উপকূলের কাছ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মর্মান্তিক এই ঘটনায় হবিগঞ্জের লাখাই ও সদর উপজেলার দুই আপন ভায়রা ভাই নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিখোঁজ ও মৃত বলে আশঙ্কা করা দুই ব্যক্তি হলেন লাখাই উপজেলার করাব গ্রামের জাহির মিয়ার ছেলে জুনাইদ (৩৬) এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সানাবই গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে লুৎফুর রহমান (৩৮)।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন জুনাইদ ও লুৎফুর। তারা সদর উপজেলার রিচি গ্রামের সানু মিয়ার ছেলে দালাল শেখ সালামিনের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অবৈধ পথে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

নৌকাডুবির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারছেন না। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দালাল শেখ সালামিনের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুই স্বজনের মৃত্যুর গুঞ্জন এলাকায় পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের সদস্যরা এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য না পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন।

লুৎফুর ও জুনাইদের পরিবারের দাবি, দালালের খপ্পরে পড়েই আজ তাদের এই পরিণতি। তারা সরকারের কাছে দ্রুত নিখোঁজদের সঠিক তথ্য জানানো এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের ঝুঁকিপূর্ণ এই পথে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশিরা প্রাণ হারাচ্ছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবা অসুস্থ, মা প্রতিবন্ধী: হবিগঞ্জে হামলায় চোখ হারালেন ছাত্রশক্তির নেতা আলিফ

error:

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি: গ্রিস উপকূলে ২২ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ হবিগঞ্জের দুই ভায়রা ভাই

আপডেট সময় ১১:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:

অবৈধ পথে ইউরোপ পাড়ি দিতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। গ্রিস উপকূলের কাছ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মর্মান্তিক এই ঘটনায় হবিগঞ্জের লাখাই ও সদর উপজেলার দুই আপন ভায়রা ভাই নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিখোঁজ ও মৃত বলে আশঙ্কা করা দুই ব্যক্তি হলেন লাখাই উপজেলার করাব গ্রামের জাহির মিয়ার ছেলে জুনাইদ (৩৬) এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সানাবই গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে লুৎফুর রহমান (৩৮)।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন জুনাইদ ও লুৎফুর। তারা সদর উপজেলার রিচি গ্রামের সানু মিয়ার ছেলে দালাল শেখ সালামিনের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অবৈধ পথে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

নৌকাডুবির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারছেন না। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দালাল শেখ সালামিনের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দুই স্বজনের মৃত্যুর গুঞ্জন এলাকায় পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের সদস্যরা এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য না পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন।

লুৎফুর ও জুনাইদের পরিবারের দাবি, দালালের খপ্পরে পড়েই আজ তাদের এই পরিণতি। তারা সরকারের কাছে দ্রুত নিখোঁজদের সঠিক তথ্য জানানো এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।

ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের ঝুঁকিপূর্ণ এই পথে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশিরা প্রাণ হারাচ্ছেন।