
পারভেজ হাসান, লাখাই প্রতিনিধি:
অবৈধ পথে ইউরোপ পাড়ি দিতে গিয়ে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। গ্রিস উপকূলের কাছ থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃতদের মধ্যে অধিকাংশই বাংলাদেশ ও সুদানের নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মর্মান্তিক এই ঘটনায় হবিগঞ্জের লাখাই ও সদর উপজেলার দুই আপন ভায়রা ভাই নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে।
নিখোঁজ ও মৃত বলে আশঙ্কা করা দুই ব্যক্তি হলেন লাখাই উপজেলার করাব গ্রামের জাহির মিয়ার ছেলে জুনাইদ (৩৬) এবং হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সানাবই গ্রামের সিরাজুল হকের ছেলে লুৎফুর রহমান (৩৮)।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় ঘর ছেড়েছিলেন জুনাইদ ও লুৎফুর। তারা সদর উপজেলার রিচি গ্রামের সানু মিয়ার ছেলে দালাল শেখ সালামিনের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে অবৈধ পথে ইউরোপের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
নৌকাডুবির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে পরিবারের সদস্যরা তাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারছেন না। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দালাল শেখ সালামিনের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দুই স্বজনের মৃত্যুর গুঞ্জন এলাকায় পৌঁছালে শোকের ছায়া নেমে আসে। পরিবারের সদস্যরা এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য না পাওয়ায় চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় কাটাচ্ছেন।
লুৎফুর ও জুনাইদের পরিবারের দাবি, দালালের খপ্পরে পড়েই আজ তাদের এই পরিণতি। তারা সরকারের কাছে দ্রুত নিখোঁজদের সঠিক তথ্য জানানো এবং মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশের ঝুঁকিপূর্ণ এই পথে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশিরা প্রাণ হারাচ্ছেন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 

























