ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo লাখাইয়ে তারেক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েল মিয়া গ্রেপ্তার Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম Logo মজুরি দাবিতে পাঁচ চা বাগানে কর্মবিরতি, মালিকপক্ষের দাবি অর্থসংকট

ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

আন্তর্জাতিক ফুটবলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি উঠেছে। বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা যাচাইয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একদল আইনপ্রণেতা এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্য দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা ফিফার কথিত পক্ষপাতমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সমন্বিত ও আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আইনপ্রণেতাদের মতে, বিশ্বকাপ ফুটবলের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে আলোচিত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে বহুল আলোচিত ‘বালোগান’ মামলায় ফিফার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার দাবি জানানো হয়েছে।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় গত সপ্তাহের একটি ম্যাচে বালোগানকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানোর ঘটনায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই সিদ্ধান্তকে অন্যায্য বলে মন্তব্য করেন। এর পরপরই ফিফা একটি আইনি বিধানের আওতায় বালোগানের নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং সিদ্ধান্তের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান। তবে এ বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য দেওয়া হয়নি।

ফিফার এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ঘটনাটিকে নজিরবিহীন, অবিশ্বাস্য এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে।

এদিকে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচে রেফারিং, ম্যাচ পরিচালনা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং স্পন্সর-সংশ্লিষ্ট নানা বিতর্কও তদন্তের আওতায় আনার পক্ষে মত দিয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার

error:

ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

আপডেট সময় ০২:৪৩:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক ফুটবলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি উঠেছে। বিশ্বকাপ-সংক্রান্ত কয়েকটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের স্বচ্ছতা যাচাইয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একদল আইনপ্রণেতা এ উদ্যোগ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭ সদস্য দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে তারা ফিফার কথিত পক্ষপাতমূলক আচরণের বিরুদ্ধে সমন্বিত ও আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

আইনপ্রণেতাদের মতে, বিশ্বকাপ ফুটবলের স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে আলোচিত বিভিন্ন সিদ্ধান্তের স্বাধীন তদন্ত প্রয়োজন। বিশেষ করে বহুল আলোচিত ‘বালোগান’ মামলায় ফিফার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনার দাবি জানানো হয়েছে।

বিতর্কের সূত্রপাত হয় গত সপ্তাহের একটি ম্যাচে বালোগানকে সরাসরি লাল কার্ড দেখানোর ঘটনায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই সিদ্ধান্তকে অন্যায্য বলে মন্তব্য করেন। এর পরপরই ফিফা একটি আইনি বিধানের আওতায় বালোগানের নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে স্থগিত করলে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে ট্রাম্প ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং সিদ্ধান্তের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান। তবে এ বিষয়ে ফিফার পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য দেওয়া হয়নি।

ফিফার এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি ঘটনাটিকে নজিরবিহীন, অবিশ্বাস্য এবং সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে।

এদিকে ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচে রেফারিং, ম্যাচ পরিচালনা, রাজনৈতিক প্রভাব এবং স্পন্সর-সংশ্লিষ্ট নানা বিতর্কও তদন্তের আওতায় আনার পক্ষে মত দিয়েছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের আইনপ্রণেতারা।