
বাংলার খবর ডেস্ক:
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অন্যতম আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে প্রিজনভ্যানে করে কারাগার থেকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয় তাকে। মামলাটিতে পলাতক রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল আজ বেলা ১১টার পর মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
এদিকে রায়কে কেন্দ্র করে সুপ্রিম কোর্ট ও ট্রাইব্যুনাল এলাকায় বহুস্তর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, র্যাব, এপিবিএন, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মাঠে রয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের তৎপরতাও বৃদ্ধি করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান চলাচল সীমিত রাখা হয়েছে।
গত ১৩ নভেম্বর এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়েছিল। ৫৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা শেষে ২৮ কার্যদিবসের শুনানি এবং ৯ কার্যদিবসের যুক্তিতর্ক শেষে রায়ের দিন নির্ধারণ করা হয়।
প্রসিকিউশন শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ সাজা দাবি করেছে। তবে রাজসাক্ষী হিসেবে চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ট্রাইব্যুনালের উপরই ছেড়ে দিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ। তার খালাস চেয়েছেন ডিফেন্স আইনজীবী যায়েদ বিন আমজাদ।
মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় তিন আসামির বিরুদ্ধে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখাঁরপুলে হত্যা ও আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোসহ মোট পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগের নথি ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার, যেখানে জব্দ তালিকা, দালিলিক প্রমাণ ও শহীদদের বিবরণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























