ঢাকা ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

**বাংলার খবর ডেস্ক:**

বহুল প্রতীক্ষিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাক্ষর করেছেন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ স্বাক্ষর গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করা হয়েছে—গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়।

**জুলাই জাতীয় সনদ–২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামায় প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলো হলো:**

১️⃣ জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় অর্জিত সুযোগের প্রতিফলন হিসেবে সনদ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।

২️⃣ জনগণ রাষ্ট্রের মালিক—এই নীতিকে স্বীকৃতি দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদটি সংবিধানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত করবে।

৩️⃣ জুলাই সনদের বৈধতা নিয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা হবে না; বরং এর প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৪️⃣ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।

৫️⃣ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকারদের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং আহত জুলাই বীরদের পুনর্বাসন ও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৬️⃣ রাষ্ট্রব্যবস্থা, নির্বাচন, বিচার ও প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়ে সনদে থাকা সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান ও আইন সংশোধন করা হবে।

৭️⃣ অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো দ্রুততম সময়ে কার্যকর করবে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অঙ্গীকারনামার মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

আপডেট সময় ০৮:২১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

**বাংলার খবর ডেস্ক:**

বহুল প্রতীক্ষিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাক্ষর করেছেন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ স্বাক্ষর গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করা হয়েছে—গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়।

**জুলাই জাতীয় সনদ–২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামায় প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলো হলো:**

১️⃣ জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় অর্জিত সুযোগের প্রতিফলন হিসেবে সনদ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।

২️⃣ জনগণ রাষ্ট্রের মালিক—এই নীতিকে স্বীকৃতি দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদটি সংবিধানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত করবে।

৩️⃣ জুলাই সনদের বৈধতা নিয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা হবে না; বরং এর প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৪️⃣ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।

৫️⃣ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকারদের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং আহত জুলাই বীরদের পুনর্বাসন ও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৬️⃣ রাষ্ট্রব্যবস্থা, নির্বাচন, বিচার ও প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়ে সনদে থাকা সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান ও আইন সংশোধন করা হবে।

৭️⃣ অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো দ্রুততম সময়ে কার্যকর করবে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অঙ্গীকারনামার মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।