ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ৭৮ শতাংশ নিটওয়্যার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, কমেছে রপ্তানি আদেশ Logo টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব ছাড়ছেন নিগার সুলতানা Logo বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত আমারই ছিল: আসিফ নজরুল Logo ৫ হাজার তরুণ উদ্যোক্তা খুঁজছে বাংলাদেশ ব্যাংক Logo মাধবপুরে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড Logo আসিফ নজরুলের সিদ্ধান্তেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলেনি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি Logo সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠনের পরিকল্পনা Logo সাত বছর পর কারাগার থেকে মুক্ত, প্রথমবার মুক্ত আকাশ দেখল শিশুটি Logo একটি নয়, তারেক রহমানকে দুই সফরের আমন্ত্রণ: দাবি নয়াদিল্লির Logo কূটনীতিকদের পরিচয়ে প্রতারণা, সতর্কবার্তা দিল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস

কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

**বাংলার খবর ডেস্ক:**

বহুল প্রতীক্ষিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাক্ষর করেছেন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ স্বাক্ষর গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করা হয়েছে—গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়।

**জুলাই জাতীয় সনদ–২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামায় প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলো হলো:**

১️⃣ জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় অর্জিত সুযোগের প্রতিফলন হিসেবে সনদ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।

২️⃣ জনগণ রাষ্ট্রের মালিক—এই নীতিকে স্বীকৃতি দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদটি সংবিধানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত করবে।

৩️⃣ জুলাই সনদের বৈধতা নিয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা হবে না; বরং এর প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৪️⃣ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।

৫️⃣ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকারদের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং আহত জুলাই বীরদের পুনর্বাসন ও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৬️⃣ রাষ্ট্রব্যবস্থা, নির্বাচন, বিচার ও প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়ে সনদে থাকা সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান ও আইন সংশোধন করা হবে।

৭️⃣ অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো দ্রুততম সময়ে কার্যকর করবে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অঙ্গীকারনামার মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটে ৭৮ শতাংশ নিটওয়্যার কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, কমেছে রপ্তানি আদেশ

error:

কী আছে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায়?

আপডেট সময় ০৮:২১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫

**বাংলার খবর ডেস্ক:**

বহুল প্রতীক্ষিত জুলাই জাতীয় সনদে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা স্বাক্ষর করেছেন। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় এ স্বাক্ষর গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় উল্লেখ করা হয়েছে—গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করা হয়।

**জুলাই জাতীয় সনদ–২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামায় প্রধান প্রতিশ্রুতিগুলো হলো:**

১️⃣ জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় অর্জিত সুযোগের প্রতিফলন হিসেবে সনদ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে।

২️⃣ জনগণ রাষ্ট্রের মালিক—এই নীতিকে স্বীকৃতি দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে সনদটি সংবিধানের অংশ হিসেবে সংযুক্ত করবে।

৩️⃣ জুলাই সনদের বৈধতা নিয়ে আদালতে কোনো প্রশ্ন তোলা হবে না; বরং এর প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৪️⃣ ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।

৫️⃣ গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকারদের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা এবং আহত জুলাই বীরদের পুনর্বাসন ও আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

৬️⃣ রাষ্ট্রব্যবস্থা, নির্বাচন, বিচার ও প্রশাসনিক সংস্কারের বিষয়ে সনদে থাকা সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে সংবিধান ও আইন সংশোধন করা হবে।

৭️⃣ অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সিদ্ধান্তগুলো দ্রুততম সময়ে কার্যকর করবে অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই অঙ্গীকারনামার মধ্য দিয়ে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ও জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটেছে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।