
জুলাই আন্দোলনকেন্দ্রিক তিনটি মামলায় জামিন পাওয়ার পর কারামুক্ত হয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কারা কর্তৃপক্ষ তাকে মুক্তি দেয়। তবে তার বিরুদ্ধে থাকা আরও কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তার না দেখানোয় বিষয়টি নিয়ে আইনি মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
জানা গেছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মোট আটটি মামলার সঙ্গে তৌহিদ আফ্রিদির নাম জড়িত। এর মধ্যে ওয়ারী থানার একটি মামলা ছাড়া বাকি সাতটি মামলায় তিনি এজাহারভুক্ত আসামি। তবে ওয়ারী থানার প্রতারণা মামলা এবং যাত্রাবাড়ী ও বাড্ডা থানার দুটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলেও রামপুরা থানার একটি হত্যা মামলা এবং বাড্ডা, যাত্রাবাড়ী, মোহাম্মদপুর ও বনানী থানার চারটি হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি বলে জানা গেছে।
গত বছরের ২৪ আগস্ট বরিশাল থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তাকে গ্রেপ্তার করে। এরপর প্রায় ১১ মাস কারাগারে ছিলেন তিনি। প্রথমে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে বাড্ডা থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় এবং ওয়ারী থানার প্রতারণা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এর মধ্যে একটি হত্যাচেষ্টা মামলার তদন্ত শেষে তার অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।
হত্যা ও হত্যাচেষ্টার দুটি মামলায় তৌহিদ আফ্রিদি হাইকোর্ট থেকে জামিন লাভ করেন। পরে আপিল বিভাগও সেই জামিন বহাল রাখে। সর্বশেষ ২১ জুলাই ওয়ারী থানার প্রতারণা মামলায় ঢাকার একটি আদালত ১ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন। তার আইনজীবীর দাবি, সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর তার মুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা ছিল না।
এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান বলেন, কারাগারে থাকা অবস্থায় এজাহারভুক্ত অন্য মামলাগুলোতে কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার না দেখানো হলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।
বাংলার খবর ডেস্ক : 


























