ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা, দেশে ঈদ কবে? Logo ‘সাকিব যেকোনো সময় চলে আসতে পারে’ Logo অন্যায় করলে ছাড় নেই, মিথ্যা মামলায় হয়রানি নয় — মাধবপুরে এমপি সৈয়দ মোঃ ফয়সল Logo প্রেমিকের সহায়তায় শাশুড়িকে হত্যা, আদালতে দায় স্বীকার গৃহবধূর Logo মাধবপুরে নেশাগ্রস্ত ছেলের অত্যাচারে পিতা বাড়িছাড়া, ইউএনওর কাছে অভিযোগ Logo বামৈ গ্রামে সীমানা বিরোধের জেরে বৃদ্ধার মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া Logo ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় পথচারী নারী নিহত Logo চেয়ারম্যানের এক মুখে দুই বক্তব্য—কোনটি সঠিক? Logo পূর্ব ইটাখোলায় ক্বারিয়ানা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত Logo প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ: মাহদী আমিন

মুজিবুল হক চুন্নুই বৈধ মহাসচিব, জিএম কাদেরের সিদ্ধান্ত অবৈধ: ব্যারিস্টার আনিসুল

বাংলার খবর ডেস্ক

জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব হিসেবে মুজিবুল হক চুন্নুর বৈধতা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা এখনও স্বপদে বহাল রয়েছি, আমাদের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুও বহাল আছেন। শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে মহাসচিব পদে নিয়োগ সম্পূর্ণ অবৈধ।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, জিএম কাদের যেই প্রেসিডিয়াম বৈঠকের রেফারেন্স দিয়ে দলীয় নেতাদের বহিষ্কার করেছেন, সেই বৈঠকে কোনো কোরাম ছিল না এবং তা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী হয়নি। পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/৩(খ) ধারা অনুযায়ী, মহাসচিবের পরামর্শে ও আলোচনায় প্রেসিডিয়াম সভা ডাকার কথা বলা হয়েছে। অথচ এই নিয়ম অনুসরণ না করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আনিসুল।

তিনি আরও বলেন, “পার্টির বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্রবিরোধী কিছুই আমরা করিনি। আমরা কেবল দলের স্বচ্ছতা, ২০(ক) ধারা বাতিল এবং বৃহত্তর ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছি।”

জিএম কাদেরের নেতৃত্বকে একনায়কতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “এরশাদের অসুস্থতা চলাকালীন জোর করে কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জিএম কাদের দলে স্বৈরাচারী আচরণ শুরু করেন। এখন একে একে সবাইকে বহিষ্কার করছেন, যার ফলে জাতীয় পার্টি ক্রমেই ছোট হতে হতে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাচ্ছে।”

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, “জাতীয় পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ করলে ভবিষ্যতে দল অনেক ভালো করতে পারবে। জিএম কাদের সবাইকে বাদ দিয়ে পার্টিকে দুর্বল করে ফেলেছেন।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুজিবুল হক চুন্নু, কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাইদুর রহমান টেপা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এটি ইউ তাজ রহমান, সোলায়মান আলম শেঠ, নাসরিন জাহান রতনা, নাজমা আক্তার, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, মাসরুর মওলা, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া এবং মো. আরিফুর রহমান খান।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে ঈদুল ফিতরের তারিখ ঘোষণা, দেশে ঈদ কবে?

error:

মুজিবুল হক চুন্নুই বৈধ মহাসচিব, জিএম কাদেরের সিদ্ধান্ত অবৈধ: ব্যারিস্টার আনিসুল

আপডেট সময় ০৮:০০:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

বাংলার খবর ডেস্ক

জাতীয় পার্টির (জাপা) মহাসচিব হিসেবে মুজিবুল হক চুন্নুর বৈধতা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমরা এখনও স্বপদে বহাল রয়েছি, আমাদের মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুও বহাল আছেন। শামীম হায়দার পাটোয়ারীকে মহাসচিব পদে নিয়োগ সম্পূর্ণ অবৈধ।”

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, জিএম কাদের যেই প্রেসিডিয়াম বৈঠকের রেফারেন্স দিয়ে দলীয় নেতাদের বহিষ্কার করেছেন, সেই বৈঠকে কোনো কোরাম ছিল না এবং তা গঠনতন্ত্র অনুযায়ী হয়নি। পার্টির গঠনতন্ত্রের ২০/৩(খ) ধারা অনুযায়ী, মহাসচিবের পরামর্শে ও আলোচনায় প্রেসিডিয়াম সভা ডাকার কথা বলা হয়েছে। অথচ এই নিয়ম অনুসরণ না করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন আনিসুল।

তিনি আরও বলেন, “পার্টির বিরুদ্ধে গঠনতন্ত্রবিরোধী কিছুই আমরা করিনি। আমরা কেবল দলের স্বচ্ছতা, ২০(ক) ধারা বাতিল এবং বৃহত্তর ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছি।”

জিএম কাদেরের নেতৃত্বকে একনায়কতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “এরশাদের অসুস্থতা চলাকালীন জোর করে কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই জিএম কাদের দলে স্বৈরাচারী আচরণ শুরু করেন। এখন একে একে সবাইকে বহিষ্কার করছেন, যার ফলে জাতীয় পার্টি ক্রমেই ছোট হতে হতে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে যাচ্ছে।”

কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, “জাতীয় পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ করলে ভবিষ্যতে দল অনেক ভালো করতে পারবে। জিএম কাদের সবাইকে বাদ দিয়ে পার্টিকে দুর্বল করে ফেলেছেন।”

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মুজিবুল হক চুন্নু, কাজী ফিরোজ রশীদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, সাইদুর রহমান টেপা, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এটি ইউ তাজ রহমান, সোলায়মান আলম শেঠ, নাসরিন জাহান রতনা, নাজমা আক্তার, জহিরুল ইসলাম জহির, মোস্তফা আল মাহমুদ, মাসরুর মওলা, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া এবং মো. আরিফুর রহমান খান।