ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান Logo কবর থেকে সালমান শাহর মরদেহ উত্তোলনের নির্দেশ আদালতের Logo পুলিশ হত্যা করেছি বলে আলোচিত মাহাদী হাসান এবার আশ্রয় নিলেন থানায় Logo মাধবপুরে ড্রাম ট্রাক-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ২ Logo লাখাইয়ে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে যুবককে গণধোলাই, পুলিশে সোপর্দ Logo লাখাইয়ে পাওনা টাকা চাওয়ায় গৃহবধূর ওপর হামলা ও লাখ টাকা লুটের অভিযোগ Logo ধর্মঘর ইউনিয়নে গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে র‌্যালি ও বার্ষিক ক্যাম্পেইন Logo মাধবপুরে প্রাইম ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং ধর্মঘর বাজার আউটলেট উদ্বোধন Logo সিলেট-৫ ও ঢাকা-১১ আসনের দায়িত্বে শাম্মী আক্তার Logo এমপির নির্দেশে সচল হচ্ছে জগদীশপুর-ছাতিয়াইন সড়ক

সত্য গোপন করে ফেঁসে গেলেন সাক্ষী রতন

১১ বছর আগের একটি মাদক মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন রতন নামের এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেম তাকে সাত দিনের সেফ কাস্টডিতে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলাটি ২০১৪ সালে মিরপুরের সনি সিনেমা হলের সামনে থেকে ইমরান হোসেন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় দায়ের হয়েছিল, এবং রতন ছিলেন দ্বিতীয় সাক্ষী। দীর্ঘদিন পর রতন সাক্ষ্য দিতে এলে প্রথমে সব স্বীকার করলেও পরে আদালতে উঠে বলেন, তিনি কিছুই জানেন না। এতে সন্দেহ হলে বিচারক ও প্রসিকিউটরের প্রশ্নে অসংলগ্ন জবাব দিতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে ধারণা হয়, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলছেন এবং আসামির পক্ষ নিয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

এরপর আদালত তাকে “ভালোভাবে জেনে আসার জন্য” সাত দিনের জন্য সেফ কাস্টডিতে পাঠান এবং পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২৫ জুন দিন ধার্য করেন।

রতনের বাড়ি বরগুনার তালতলী থানার ছোট ভাই জোড়া গ্রামে এবং আদালতে এ খবর পেয়ে উপস্থিত হন তার ছেলে ও দুলাভাই, যাদের দাবি, তারা কিছুই জানতেন না।

আপলোডকারীর তথ্য

বাংলার খবর

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুর পৌরসভাকে আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন করতে চান মেয়র পদপ্রার্থী হাজী সোলেমান

সত্য গোপন করে ফেঁসে গেলেন সাক্ষী রতন

আপডেট সময় ০৯:৫০:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

১১ বছর আগের একটি মাদক মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলেন রতন নামের এক ব্যক্তি। মঙ্গলবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১ এর বিচারক আবুল কাশেম তাকে সাত দিনের সেফ কাস্টডিতে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলাটি ২০১৪ সালে মিরপুরের সনি সিনেমা হলের সামনে থেকে ইমরান হোসেন নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ২৫ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় দায়ের হয়েছিল, এবং রতন ছিলেন দ্বিতীয় সাক্ষী। দীর্ঘদিন পর রতন সাক্ষ্য দিতে এলে প্রথমে সব স্বীকার করলেও পরে আদালতে উঠে বলেন, তিনি কিছুই জানেন না। এতে সন্দেহ হলে বিচারক ও প্রসিকিউটরের প্রশ্নে অসংলগ্ন জবাব দিতে থাকেন তিনি। একপর্যায়ে ধারণা হয়, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা বলছেন এবং আসামির পক্ষ নিয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

এরপর আদালত তাকে “ভালোভাবে জেনে আসার জন্য” সাত দিনের জন্য সেফ কাস্টডিতে পাঠান এবং পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২৫ জুন দিন ধার্য করেন।

রতনের বাড়ি বরগুনার তালতলী থানার ছোট ভাই জোড়া গ্রামে এবং আদালতে এ খবর পেয়ে উপস্থিত হন তার ছেলে ও দুলাভাই, যাদের দাবি, তারা কিছুই জানতেন না।