ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩ Logo সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িক বন্ধ এনআইডি সার্ভার Logo লাখাইয়ে তারেক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি সায়েল মিয়া গ্রেপ্তার Logo নাসিরনগরের ফান্দাউকে চেয়ারম্যান প্রার্থী মালেক শাহকে ঘিরে আলোচনা Logo হাইমচরে পল্টন ট্র্যাজেডি স্মরণে জামায়াতের আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল Logo হাইমচরে মেম্বার প্রার্থী আবদুর রহমান পাটওয়ারীর উঠান বৈঠক Logo মনতলা কলেজে মাহবুব স্যারের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল Logo এলপি গ্যাসের দাম ৩০০ টাকা বাড়ানোর দাবি, বৃহস্পতিবার বিইআরসির গণশুনানি Logo লাখাইয়ে কীটনাশক দিয়ে সাড়ে ৪ কানি টমেটো ক্ষেত নষ্টের অভিযোগ, ক্ষতির মুখে কৃষক-শ্রমিক Logo পুষ্পমাল্য, সম্মাননা ও উপহারে সজ্জিত গাড়িতে বাড়ি ফিরলেন শিক্ষক তহুরা বেগম

সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার সূত্র পাওয়ার দাবি চিফ প্রসিকিউটরের

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার সূত্র পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই ব্যক্তির নাম বা পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনার সময় সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার সূত্র পাওয়া যায়। বিষয়টি বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা সরাসরি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে না। এ মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে অন্য মামলার তদন্তের সময় কোনো সূত্র পাওয়া গেলে তা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাকে সহায়তা করা হতে পারে।

তিনি আরও জানান, পাওয়া তথ্যগুলো এখনো যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। তদন্তে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে তা পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের দেওয়া হতে পারে। তবে তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম-পরিচয় প্রকাশের সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি। সাগর সরওয়ার মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক এবং মেহেরুন রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডটির তদন্ত ও বিচার নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটি ট্রাইব্যুনালের আওতাভুক্ত নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ব্যাপক বা পদ্ধতিগত অপরাধের (widespread or systematic crime) আওতায় পড়ে না; এটি একটি স্বতন্ত্র হত্যাকাণ্ডের মামলা। ফলে এর বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই হবে।

তদন্তে পাওয়া নতুন সূত্রটি শেষ পর্যন্ত কতটা নির্ভরযোগ্য এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তা কতটা ভূমিকা রাখবে, তা পরবর্তী তদন্তের ওপর নির্ভর করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাধবপুরে ১০৪ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার, পলাতক ৩

error:

সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার সূত্র পাওয়ার দাবি চিফ প্রসিকিউটরের

আপডেট সময় ০৯:১৮:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার সূত্র পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে ওই ব্যক্তির নাম বা পরিচয় প্রকাশ করেননি তিনি।

রোববার (৩০ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান চিফ প্রসিকিউটর।

তিনি বলেন, অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনার সময় সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সংশ্লিষ্টতার সূত্র পাওয়া যায়। বিষয়টি বর্তমানে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা সরাসরি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে না। এ মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। তবে অন্য মামলার তদন্তের সময় কোনো সূত্র পাওয়া গেলে তা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাকে সহায়তা করা হতে পারে।

তিনি আরও জানান, পাওয়া তথ্যগুলো এখনো যাচাই-বাছাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। তদন্তে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া গেলে তা পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাদের দেওয়া হতে পারে। তবে তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম-পরিচয় প্রকাশের সুযোগ নেই বলে জানান তিনি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় খুন হন সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি। সাগর সরওয়ার মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক এবং মেহেরুন রুনি এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক ছিলেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডটির তদন্ত ও বিচার নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।

সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারিক এখতিয়ারের মধ্যে পড়ে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটি ট্রাইব্যুনালের আওতাভুক্ত নয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাটি ব্যাপক বা পদ্ধতিগত অপরাধের (widespread or systematic crime) আওতায় পড়ে না; এটি একটি স্বতন্ত্র হত্যাকাণ্ডের মামলা। ফলে এর বিচার সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই হবে।

তদন্তে পাওয়া নতুন সূত্রটি শেষ পর্যন্ত কতটা নির্ভরযোগ্য এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তা কতটা ভূমিকা রাখবে, তা পরবর্তী তদন্তের ওপর নির্ভর করবে।