
অনলাইনে মাদক কেনাবেচা, সরবরাহ, বিজ্ঞাপন, মধ্যস্থতা বা লেনদেনের মতো অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। নতুন আইনে এ ধরনের সাইবার অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার হওয়া বাধ্যতামূলক থাকবে না।
সোমবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তির পর কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।
পাস হওয়া বিলে মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পৃথক মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগ্নেয়াস্ত্র বহনের সুযোগ, নিজস্ব হাজতখানা ও অস্ত্রাগার স্থাপন, ডগ স্কোয়াড গঠন এবং মাদকসংক্রান্ত সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণ শাখা ও ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নতুন আইনের মাধ্যমে অনলাইনভিত্তিক মাদক ব্যবসা ও সাইবার মাধ্যমে পরিচালিত মাদক অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সক্ষমতা আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির সম্মতি পেলেই ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ আইনে পরিণত হবে।
বাংলার খবর ডেস্ক : 
























